নিয়োগ আগে, প্রশিক্ষণ পরে—গাড়িচালক পদে সাহানাজের নিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ DNC
- আপলোড সময় : ০২:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ২০৫ বার পড়া হয়েছে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এ গাড়িচালক নিয়োগকে ঘিরে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগপ্রাপ্ত এক নারী চালক, শাহনাজ, নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ না করেই চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে গাড়িচালক পদে অন্তত দুই বছরের পেশাদার ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা এবং বৈধ পেশাদার লাইসেন্সের শর্ত ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, শাহনাজের লাইসেন্সে মাত্র এক বছরের অভিজ্ঞতা ছিল এবং তা প্রথমে অপেশাদার লাইসেন্স হিসেবে ইস্যু হয়। পরবর্তীতে সেটি পেশাদার লাইসেন্সে রূপান্তর করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এক উপসচিবের তদবির এবং মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত নথি ও তথ্যপ্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আরও অভিযোগ, চাকরিতে যোগদানের পরও শাহনাজ নিয়মিতভাবে গাড়ি চালাতে সক্ষম হননি। ডিউটি চলাকালীন সময়েই তিনি একটি ড্রাইভিং স্কুলে ভর্তি হয়ে গাড়ি চালানো শেখেন। এমনকি অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে দপ্তরের পুরোনো চালকদের দিয়ে একটি কালো রঙের সরকারি প্রাইভেট কারে তাকে পুনরায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট গাড়িটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পর উল্লেখযোগ্য ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে শাহনাজের সঙ্গে কথা বললে তিনি ঢাকার রাস্তাঘাট না চেনার কথা উল্লেখ করেন এবং ড্রাইভিং স্কুলে ভর্তি হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তার ভাষ্য, “আমি গাড়ি চালানো শিখছি, এতে সমস্যা কোথায়?”
তবে প্রশ্ন উঠেছে, নিয়োগের শর্ত পূরণ না করেই কীভাবে তিনি সরকারি চাকরিতে যোগ দিলেন এবং ডিউটির সময় প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পেলেন। সরকারি বিধিমালা উপেক্ষা করে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হলে তা প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।


















