ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেনবাগবাসীর গর্বের দিন-ডিআইজি হলেন আবদুল মাবুদ

মোহাম্মদ আবু নাছের (জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী)
মোহাম্মদ আবু নাছের (জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী)
  • আপলোড সময় : ১১:০৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০৯ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর সেনবাগের কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ পুলিশের ২০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের গর্বিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ (দুলাল) ডিআইজি পদে পদোন্নতি পাওয়ায় জন্মভূমিতে নেমেছে আনন্দের জোয়ার। তাঁর এই সম্মানজনক অর্জনকে ঘিরে সেনবাগে এক মতবিনিময় সভায় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সেনবাগের প্রবীণ সাংবাদিক এম.এ. আউয়াল এর আয়োজনে সেনবাগের ‘কিং কাবাব’ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তাঁরই সহধর্মিণীর বড় ভাই ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ (দুলাল)। এসময় সেনবাগে কর্মরত সাংবাদিকগণ পদায়নং কদরা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের এই কৃতি সন্তান দীর্ঘ ২৮ বছরের কর্মজীবনে সততা, নৈতিকতা, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের নজির রেখে আসছেন। অকথিত বঞ্চনা, বাধা ও নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি তাঁর নীতিমূল্য থেকে একচুল সরে না গিয়ে দায়িত্ব পালন করে দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
দীর্ঘ ১৮ বছর পদ বঞ্চিত থাকার পর অবশেষে ডিআইজি পদে উন্নীত হয়ে তিনি পূরণ করেছেন সেনবাগবাসীর বহুদিনের প্রত্যাশা।

মতবিনিময় সভায় সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মিজানুর রহমান, ওসি (তদন্ত) হযরত আলী মিলন, সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাব এর সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, সেনবাগ প্রেসক্লাব এর সভাপতি সাখাওয়াত উল্লাহ, সেনবাগ রিপোর্টার্স ক্লাব এর সভাপতি মো: ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ রিপন, সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন স্বপন, সেনবাগ প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক হারুন, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক আবদুল মোতালেব, সাংবাদিক মো: বশির উল্যাহ, সাংবাদিক জিয়া উদ্দিন, সাংবাদিক রেজাউল করিম রাজু, সাংবাদিক মনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শামছুল হক শামীম, সাংবাদিক মোহাম্মদ উল্যাহ সহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকরা বলেন,
“সেনবাগের একজন সন্তান দেশের এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে উন্নীত হওয়া আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এটি পুরো উপজেলার জন্য আনন্দের মুহূর্ত।”

এসময় ডিআইজি আবদুল মাবুদ সাংবাদিকদের ভালোবাসা ও সম্মান পেয়ে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সকলের দোয়া কামনা করেন।

ডিআইজি আবদুল মাবুদের এই পদোন্নতি শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি সেনবাগবাসীর গর্ব, জেলার অর্জন এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সেনবাগবাসীর গর্বের দিন-ডিআইজি হলেন আবদুল মাবুদ

আপলোড সময় : ১১:০৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীর সেনবাগের কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ পুলিশের ২০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের গর্বিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ (দুলাল) ডিআইজি পদে পদোন্নতি পাওয়ায় জন্মভূমিতে নেমেছে আনন্দের জোয়ার। তাঁর এই সম্মানজনক অর্জনকে ঘিরে সেনবাগে এক মতবিনিময় সভায় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সেনবাগের প্রবীণ সাংবাদিক এম.এ. আউয়াল এর আয়োজনে সেনবাগের ‘কিং কাবাব’ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তাঁরই সহধর্মিণীর বড় ভাই ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ (দুলাল)। এসময় সেনবাগে কর্মরত সাংবাদিকগণ পদায়নং কদরা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের এই কৃতি সন্তান দীর্ঘ ২৮ বছরের কর্মজীবনে সততা, নৈতিকতা, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের নজির রেখে আসছেন। অকথিত বঞ্চনা, বাধা ও নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি তাঁর নীতিমূল্য থেকে একচুল সরে না গিয়ে দায়িত্ব পালন করে দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
দীর্ঘ ১৮ বছর পদ বঞ্চিত থাকার পর অবশেষে ডিআইজি পদে উন্নীত হয়ে তিনি পূরণ করেছেন সেনবাগবাসীর বহুদিনের প্রত্যাশা।

মতবিনিময় সভায় সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মিজানুর রহমান, ওসি (তদন্ত) হযরত আলী মিলন, সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাব এর সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, সেনবাগ প্রেসক্লাব এর সভাপতি সাখাওয়াত উল্লাহ, সেনবাগ রিপোর্টার্স ক্লাব এর সভাপতি মো: ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ রিপন, সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন স্বপন, সেনবাগ প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক হারুন, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক আবদুল মোতালেব, সাংবাদিক মো: বশির উল্যাহ, সাংবাদিক জিয়া উদ্দিন, সাংবাদিক রেজাউল করিম রাজু, সাংবাদিক মনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শামছুল হক শামীম, সাংবাদিক মোহাম্মদ উল্যাহ সহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকরা বলেন,
“সেনবাগের একজন সন্তান দেশের এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে উন্নীত হওয়া আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এটি পুরো উপজেলার জন্য আনন্দের মুহূর্ত।”

এসময় ডিআইজি আবদুল মাবুদ সাংবাদিকদের ভালোবাসা ও সম্মান পেয়ে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সকলের দোয়া কামনা করেন।

ডিআইজি আবদুল মাবুদের এই পদোন্নতি শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি সেনবাগবাসীর গর্ব, জেলার অর্জন এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন