ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সোনারগাঁয়ে পুরুষ অধিকার রক্ষায় আইনের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক’ আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোনারগাঁ প্রতিনিধি
সোনারগাঁ প্রতিনিধি
  • আপলোড সময় : ০৩:১৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩
  • / ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

দিবসটি উপলক্ষে সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন’ সোনারগাঁ শাখার উদ্যোগে ‘পুরুষ অধিকার রক্ষায় আইনের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক’ আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

[৩]রোববার ১৯ নভেম্বর সকাল ১০ টায় সোনারগাঁ উপজেলার গ্রান্ট্রাক সড়কে এই র‍্যালি করা হয়। র‍্যালিটি সোনারগাঁ থানা গেইট থেকে শুরু করে সোনারগাঁও প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ করেন।

[৪] র‍্যালি শেষে উপজেলার বটতলা বাজারে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা করা হয়। এ সময় সভায় বক্তব রাখেন, ‘এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন’ সোনারগাঁ শাখার সভাপতি সাংবাদিক মো. শাহজালাল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মহিউদ্দিন খোকন, আইন সম্পাদক এডভোকেট সফরউদ্দিন সবুর প্রমূখ।

[৫] ‘পুরুষ অধিকার রক্ষায় আইনের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক’ আলোচনা সভায় বক্তারা লিখিত ১৩ দফা দাবি পাঠ করে করে শোনান উপস্থিত সংগঠনটির সদস্যদেরকে।

[৬] সংগঠনটির ১৩ দফা দাবি হলো- ১. অপহরণ : বিবাহের উদ্দেশ্যে বা প্রেমঘটিত কারণে ছেলে-মেয়ে উভয়ে পালিয়ে গেলে শুধু ছেলে ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা হয়। এই কৃতকর্মের জন্য শুধু ছেলের শাস্তি বিধান হওয়াটা অযৌক্তিক বিধায় তা বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। (বিবাহের উদ্দেশ্যে বা প্রেমঘটিত কারণে কোনো ছেলে বা মেয়ে স্বেচ্ছায় পালিয়ে গেলে উক্ত ঘটনাকে অপহরণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করা)।

২. পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০-এ সংযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে শিশু ও নারীর পাশাপাশি পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

৩. বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারীর সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ককে ‘ধর্ষণ’ বলা যাবে না এবং এই ক্ষেত্রে যদি শাস্তি হয় তাহলে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য শাস্তির বিধান থাকতে হবে।

৪. নারী ধর্ষণ ও শিশু ধর্ষণ আলাদা সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করে পুরুষ ধর্ষণের সংজ্ঞা তৈরি করে লিঙ্গনিরপেক্ষ ধর্ষণ আইন তৈরি করতে হবে।

৫. পারিবারিক জীবন ব্যবস্থা, সভ্য সমাজ ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত আইন এবং পুরুষদের মানবাধিকারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশীয় আইনে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে সৃষ্ট তথাকথিত বৈবাহিক ধর্ষণের ধারণার অনুপ্রবেশ না ঘটানো।

৬. মিথ্যা ধর্ষণ মামলা প্রমাণিত হলে মামলাকারীর বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির বিধান থাকতে হবে। (ধর্ষকের সমমান শাস্তির বিধান করতে হবে)।

৭. যৌতুক সংক্রান্ত মামলায় সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যুর পূর্বে তদন্ত প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক করা।

৮. পুরুষের লিঙ্গ কর্তন বা অন্য কোনো উপায়ে কোনো পুরুষকে পুরুষত্বহীন করার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করতে হবে।

৯. বহুবিবাহ প্রতারণারোধে বিবাহ রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি ডিজিটালাইজ করা।

১০. পুরুষের মানবাধিকার রক্ষা ও পুরুষ নির্যাতন রোধে আইন প্রণয়ন করতে হবে।

১১. কাবিন বাণিজ্যরোধে সাধ্যের অতিরিক্ত কাবিন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না, বিধান থাকতে হবে।

১২. ব্যভিচারের ৪৯৭ ধারাকে সংশোধন করে পরকীয়ায় আসক্ত নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য সমান শাস্তির বিধান থাকতে হবে।

১৩. পুরুষ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সোনারগাঁয়ে পুরুষ অধিকার রক্ষায় আইনের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক’ আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

আপলোড সময় : ০৩:১৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

দিবসটি উপলক্ষে সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন’ সোনারগাঁ শাখার উদ্যোগে ‘পুরুষ অধিকার রক্ষায় আইনের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক’ আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

[৩]রোববার ১৯ নভেম্বর সকাল ১০ টায় সোনারগাঁ উপজেলার গ্রান্ট্রাক সড়কে এই র‍্যালি করা হয়। র‍্যালিটি সোনারগাঁ থানা গেইট থেকে শুরু করে সোনারগাঁও প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ করেন।

[৪] র‍্যালি শেষে উপজেলার বটতলা বাজারে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা করা হয়। এ সময় সভায় বক্তব রাখেন, ‘এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন’ সোনারগাঁ শাখার সভাপতি সাংবাদিক মো. শাহজালাল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মহিউদ্দিন খোকন, আইন সম্পাদক এডভোকেট সফরউদ্দিন সবুর প্রমূখ।

[৫] ‘পুরুষ অধিকার রক্ষায় আইনের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক’ আলোচনা সভায় বক্তারা লিখিত ১৩ দফা দাবি পাঠ করে করে শোনান উপস্থিত সংগঠনটির সদস্যদেরকে।

[৬] সংগঠনটির ১৩ দফা দাবি হলো- ১. অপহরণ : বিবাহের উদ্দেশ্যে বা প্রেমঘটিত কারণে ছেলে-মেয়ে উভয়ে পালিয়ে গেলে শুধু ছেলে ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা হয়। এই কৃতকর্মের জন্য শুধু ছেলের শাস্তি বিধান হওয়াটা অযৌক্তিক বিধায় তা বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। (বিবাহের উদ্দেশ্যে বা প্রেমঘটিত কারণে কোনো ছেলে বা মেয়ে স্বেচ্ছায় পালিয়ে গেলে উক্ত ঘটনাকে অপহরণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করা)।

২. পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০-এ সংযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে শিশু ও নারীর পাশাপাশি পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

৩. বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারীর সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ককে ‘ধর্ষণ’ বলা যাবে না এবং এই ক্ষেত্রে যদি শাস্তি হয় তাহলে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য শাস্তির বিধান থাকতে হবে।

৪. নারী ধর্ষণ ও শিশু ধর্ষণ আলাদা সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করে পুরুষ ধর্ষণের সংজ্ঞা তৈরি করে লিঙ্গনিরপেক্ষ ধর্ষণ আইন তৈরি করতে হবে।

৫. পারিবারিক জীবন ব্যবস্থা, সভ্য সমাজ ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত আইন এবং পুরুষদের মানবাধিকারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশীয় আইনে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে সৃষ্ট তথাকথিত বৈবাহিক ধর্ষণের ধারণার অনুপ্রবেশ না ঘটানো।

৬. মিথ্যা ধর্ষণ মামলা প্রমাণিত হলে মামলাকারীর বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির বিধান থাকতে হবে। (ধর্ষকের সমমান শাস্তির বিধান করতে হবে)।

৭. যৌতুক সংক্রান্ত মামলায় সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যুর পূর্বে তদন্ত প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক করা।

৮. পুরুষের লিঙ্গ কর্তন বা অন্য কোনো উপায়ে কোনো পুরুষকে পুরুষত্বহীন করার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করতে হবে।

৯. বহুবিবাহ প্রতারণারোধে বিবাহ রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি ডিজিটালাইজ করা।

১০. পুরুষের মানবাধিকার রক্ষা ও পুরুষ নির্যাতন রোধে আইন প্রণয়ন করতে হবে।

১১. কাবিন বাণিজ্যরোধে সাধ্যের অতিরিক্ত কাবিন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না, বিধান থাকতে হবে।

১২. ব্যভিচারের ৪৯৭ ধারাকে সংশোধন করে পরকীয়ায় আসক্ত নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য সমান শাস্তির বিধান থাকতে হবে।

১৩. পুরুষ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন