ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্রিসকলের পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১২:০১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০৮ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাসচিব ড্যান ড্রিসকল প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগ করেছেন। সোমবার হোয়াইট হাউস ড্রিসকলের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তার পদত্যাগ প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে চলমান মতবিরোধের প্রেক্ষাপটে ঘটেছে।

সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড্রিসকল ও হেগসেথের মধ্যে কয়েক মাস ধরে মতবিরোধ চলছিল, তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। রয়টার্সও জানিয়েছে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে ড্রিসকল পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

৪১ বছর বয়সি ড্রিসকল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সি সেনাসচিব হিসেবে পরিচিত। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে তাকে ‘ট্রাম্পের ড্রোন-ম্যান’ বলা হতো। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে ড্রিসকলের প্রশংসা করা হয়েছে এবং তার সামরিক অভিযানে অসাধারণ নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ড্রিসকলের পদত্যাগের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে ধারাবাহিক পরিবর্তন চলছে। এর আগে এপ্রিলে নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানও পদত্যাগ করেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হেগসেথের চাপের মুখে তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।

ড্রিসকলের পদত্যাগের পেছনে হেগসেথের সঙ্গে বিরোধের বিস্তারিত এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ড্রিসকলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জের পদত্যাগের পর তাদের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ে। ড্রিসকল সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগে জড়িত ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্রিসকলের পদত্যাগ

আপলোড সময় : ১২:০১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাসচিব ড্যান ড্রিসকল প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগ করেছেন। সোমবার হোয়াইট হাউস ড্রিসকলের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তার পদত্যাগ প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে চলমান মতবিরোধের প্রেক্ষাপটে ঘটেছে।

সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড্রিসকল ও হেগসেথের মধ্যে কয়েক মাস ধরে মতবিরোধ চলছিল, তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। রয়টার্সও জানিয়েছে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে ড্রিসকল পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

৪১ বছর বয়সি ড্রিসকল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সি সেনাসচিব হিসেবে পরিচিত। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে তাকে ‘ট্রাম্পের ড্রোন-ম্যান’ বলা হতো। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে ড্রিসকলের প্রশংসা করা হয়েছে এবং তার সামরিক অভিযানে অসাধারণ নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ড্রিসকলের পদত্যাগের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে ধারাবাহিক পরিবর্তন চলছে। এর আগে এপ্রিলে নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানও পদত্যাগ করেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হেগসেথের চাপের মুখে তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।

ড্রিসকলের পদত্যাগের পেছনে হেগসেথের সঙ্গে বিরোধের বিস্তারিত এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ড্রিসকলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জের পদত্যাগের পর তাদের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ে। ড্রিসকল সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগে জড়িত ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন