ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগ নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৭:২৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪৫১ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান মিমের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে ছাত্রলীগ নেতাকে একটি ঘরের মধ্যে বসে ইয়াবা সেবন করতে দেখা যায়। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর শিবালয় উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হবে। মিম শিবালয় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী বলেও জানা গেছে। নাজমুল হাসান মিম শিবালয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

৪৮ সেকেন্ডের ইয়াবা সেবনের ভিডিওটি গত শুক্রবার সকাল থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর অদৃশ্য কারণে ভিডিও সরিয়ে নিয়েছে শেয়ার করা ফেসবুক প্রোফাইল থেকে। তবে অনেকেই ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে রেখেছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে নাজমুল হাসান মিম বলেন, যে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে তা পাঁচ বছর আগে সুপার এডিটিং করে প্রচারিত হয়েছে। তখন ছাত্রলীগে তার কোনো পদ ছিল না। এ ভিডিও ঘিরে অনেক গণমাধ্যমে সংবাদও প্রচারিত হয়েছিল। তারপরও তিনি জেলা কমিটির সাংগঠনিক পদ পেয়েছেন। তার বাবার ও তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে নাম ও ছবি প্রকাশ না করার শর্তে জেলা ছাত্রলীগের একাধিক নেতা বলেন, স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির কাছের লোক হওয়ায় নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ছাত্রলীগের কমিটিতে এসব মাদকসেবীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। এসব মাদকসেবীদের অবিলম্বে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার ও বিতাড়িত করার দাবিও জানান তারা।

এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাকিব হাসনাত আওয়াল বলেন, ছাত্রলীগ একটি স্বনামধন্য সংগঠন। এই সংগঠনে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া অতি দুঃখজনক। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন এমনটাই দাবি জানান তিনি।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিদুল ইসলাম বলেন, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ সর্বদা মাদকের বিরুদ্ধে। যে মুখে মা ডাক হয়, সে মুখে মাদক নয় এই স্লোগানে জেলা ছাত্রলীগ কাজ করে যাচ্ছে। যদি কোনো ছাত্রলীগ নেতা ও কর্মী মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে যাচাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছাত্রলীগ নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ

আপলোড সময় : ০৭:২৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান মিমের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে ছাত্রলীগ নেতাকে একটি ঘরের মধ্যে বসে ইয়াবা সেবন করতে দেখা যায়। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর শিবালয় উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হবে। মিম শিবালয় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী বলেও জানা গেছে। নাজমুল হাসান মিম শিবালয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

৪৮ সেকেন্ডের ইয়াবা সেবনের ভিডিওটি গত শুক্রবার সকাল থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর অদৃশ্য কারণে ভিডিও সরিয়ে নিয়েছে শেয়ার করা ফেসবুক প্রোফাইল থেকে। তবে অনেকেই ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে রেখেছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে নাজমুল হাসান মিম বলেন, যে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে তা পাঁচ বছর আগে সুপার এডিটিং করে প্রচারিত হয়েছে। তখন ছাত্রলীগে তার কোনো পদ ছিল না। এ ভিডিও ঘিরে অনেক গণমাধ্যমে সংবাদও প্রচারিত হয়েছিল। তারপরও তিনি জেলা কমিটির সাংগঠনিক পদ পেয়েছেন। তার বাবার ও তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে নাম ও ছবি প্রকাশ না করার শর্তে জেলা ছাত্রলীগের একাধিক নেতা বলেন, স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির কাছের লোক হওয়ায় নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ছাত্রলীগের কমিটিতে এসব মাদকসেবীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। এসব মাদকসেবীদের অবিলম্বে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার ও বিতাড়িত করার দাবিও জানান তারা।

এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাকিব হাসনাত আওয়াল বলেন, ছাত্রলীগ একটি স্বনামধন্য সংগঠন। এই সংগঠনে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া অতি দুঃখজনক। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন এমনটাই দাবি জানান তিনি।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিদুল ইসলাম বলেন, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ সর্বদা মাদকের বিরুদ্ধে। যে মুখে মা ডাক হয়, সে মুখে মাদক নয় এই স্লোগানে জেলা ছাত্রলীগ কাজ করে যাচ্ছে। যদি কোনো ছাত্রলীগ নেতা ও কর্মী মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে যাচাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন