ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারতকে কাঁদিয়ে হেক্সা জয় অস্ট্রেলিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৯:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩
  • / ২৭১ বার পড়া হয়েছে

Australian players celebrate after winning the 2023 ICC Men's Cricket World Cup one-day international (ODI) final match between India and Australia at the Narendra Modi Stadium in Ahmedabad on November 19, 2023. (Photo by Punit PARANJPE / AFP) / -- IMAGE RESTRICTED TO EDITORIAL USE - STRICTLY NO COMMERCIAL USE --

ভারতকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি পুনরুদ্ধার করল অস্ট্রেলিয়া। ১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১৫ বিশ্বকাপজয়ীরা এবার জিতল ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। শুধু আহমেদাবাদের ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শক নয় গোটা ভারতকে স্তব্ধ করে দিয়ে মিশন হেক্সা কমপ্লিট করল প্যাট কামিন্সরা।

এ যেন তীরে এসে তরী ডোবার মতো অবস্থা ভারতের। বিশ্বকাপের লিগ আর সেমিফাইনালে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেই কিনা পেতে হলো হারের তিক্ত স্বাদ।

আহমেদাবাদে এদিন টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। অজি অধিনায়কের এমন সিদ্ধান্তে অনেকে নাক ছিটকালেও প্যাট কামিন্স বলেছিলেন, সন্ধ্যার পর শিশিরের আধিক্য থাকে বলেই তার এমন সিদ্ধান্ত।

যেই কথা সেটিই হলো। ভারতের দেওয়া ২৪০ রানের লক্ষ্য টপকানোর লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪২ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য তাড়া করে ফেলল অজিরা। পিচে শামি-সিরাজদের কোনো কারিকুরিই কাজে লাগল না।

ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ডেভিড ওয়ার্নারের উইকেট হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। মোহাম্মদ শামির বলে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৭ রান করে। দলীয় ৪৩ রানের মাথায় মিচেল মার্শকে ১৫ রানে ফেরান জসপ্রীত বুমরাহ।

শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে ফেলার পর থিতু হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টায় থাকা স্টিভেন স্মিথকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে ফেরান বুমরাহ। তবে রিপ্লেতে দেখা যায় বল অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে দিয়ে চলে যেতে। স্মিথ রিভিউও নেননি।

দলীয় ৪৭ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ওপেনার ট্রাভিস হেড আর মার্নাস লাবুশানের জুটি ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় ভারতকে। ৯৫ বলে ১৪টি চার ও ১টি ছক্কায় হেড তুলে নেন সেঞ্চুরি। হেডের শতকের সঙ্গে লাবুশানে তুলে নেন অর্ধশতক।

শেষ পর্যন্ত হেড-লাবুশানের ১৯২ রানের অনবদ্য জুটিতে মাথা উঁচু করে মাঠ ছাড়ে অজিরা। হেড সাজঘরে ফেরেন জয় থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে ব্যক্তিগত ১৩৭ রানের মাথায়। লাবুশানে অপরাজিত থেকে যান ৫৮ রানে।

ভারতের পক্ষে ২টি উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ, ১ট উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারেই শুভমান গিলকে হারায় ভারত। মাত্র ৪ রান করা শুভমানকে ফেরান মিচেল স্টার্ক। আরেক ওপেনার রোহিত শর্মাকে ৪৭ রানে ফেরান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। শ্রেয়াস আইয়ারকে ৪ রানে ফেরান প্যাট কামিন্স। বিরাট কোহলি একপাশ আগলে রেখে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন, তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৭২তম ফিফটি। তবে শেষ পর্যন্ত ফিরতে হয় কামিন্সের বলে বোল্ড হয়ে।

রবীন্দ্র জাদেজাকে ৯ রানে ফেরান জশ হ্যাজেলউড। বিরাটের ফেরার পর কেএল রাহুল ভারতকে ম্যাচে ফেরালেও ৬৬ (১০৭) রানের মাথায় বিদায় করেন স্টার্ক। এরপর মোহাম্মদ শামিকে ৬ রানে ফেরান স্টার্ক। জসপ্রীত বুমরাহকে ১ রানের বেশি করতে দেননি জাম্পা।

শেষদিকে সূর্যকুমার যাদবের ২৮ বলে ১৮, কুলদ্বীপ যাদবের ১০ আর মোহাম্মদ সিরাজের ৮ রানে ভর করে কোনোমতে ২৪০ রান করে ভারত।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ৩ উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। ২টি করে উইকেট নেন জশ হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্স। ১টি করে উইকেট নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও অ্যাডাম জাম্পা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতকে কাঁদিয়ে হেক্সা জয় অস্ট্রেলিয়ার

আপলোড সময় : ০৯:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

ভারতকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি পুনরুদ্ধার করল অস্ট্রেলিয়া। ১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১৫ বিশ্বকাপজয়ীরা এবার জিতল ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। শুধু আহমেদাবাদের ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শক নয় গোটা ভারতকে স্তব্ধ করে দিয়ে মিশন হেক্সা কমপ্লিট করল প্যাট কামিন্সরা।

এ যেন তীরে এসে তরী ডোবার মতো অবস্থা ভারতের। বিশ্বকাপের লিগ আর সেমিফাইনালে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেই কিনা পেতে হলো হারের তিক্ত স্বাদ।

আহমেদাবাদে এদিন টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। অজি অধিনায়কের এমন সিদ্ধান্তে অনেকে নাক ছিটকালেও প্যাট কামিন্স বলেছিলেন, সন্ধ্যার পর শিশিরের আধিক্য থাকে বলেই তার এমন সিদ্ধান্ত।

যেই কথা সেটিই হলো। ভারতের দেওয়া ২৪০ রানের লক্ষ্য টপকানোর লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪২ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য তাড়া করে ফেলল অজিরা। পিচে শামি-সিরাজদের কোনো কারিকুরিই কাজে লাগল না।

ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ডেভিড ওয়ার্নারের উইকেট হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। মোহাম্মদ শামির বলে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৭ রান করে। দলীয় ৪৩ রানের মাথায় মিচেল মার্শকে ১৫ রানে ফেরান জসপ্রীত বুমরাহ।

শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে ফেলার পর থিতু হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টায় থাকা স্টিভেন স্মিথকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে ফেরান বুমরাহ। তবে রিপ্লেতে দেখা যায় বল অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে দিয়ে চলে যেতে। স্মিথ রিভিউও নেননি।

দলীয় ৪৭ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ওপেনার ট্রাভিস হেড আর মার্নাস লাবুশানের জুটি ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় ভারতকে। ৯৫ বলে ১৪টি চার ও ১টি ছক্কায় হেড তুলে নেন সেঞ্চুরি। হেডের শতকের সঙ্গে লাবুশানে তুলে নেন অর্ধশতক।

শেষ পর্যন্ত হেড-লাবুশানের ১৯২ রানের অনবদ্য জুটিতে মাথা উঁচু করে মাঠ ছাড়ে অজিরা। হেড সাজঘরে ফেরেন জয় থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে ব্যক্তিগত ১৩৭ রানের মাথায়। লাবুশানে অপরাজিত থেকে যান ৫৮ রানে।

ভারতের পক্ষে ২টি উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ, ১ট উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারেই শুভমান গিলকে হারায় ভারত। মাত্র ৪ রান করা শুভমানকে ফেরান মিচেল স্টার্ক। আরেক ওপেনার রোহিত শর্মাকে ৪৭ রানে ফেরান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। শ্রেয়াস আইয়ারকে ৪ রানে ফেরান প্যাট কামিন্স। বিরাট কোহলি একপাশ আগলে রেখে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন, তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৭২তম ফিফটি। তবে শেষ পর্যন্ত ফিরতে হয় কামিন্সের বলে বোল্ড হয়ে।

রবীন্দ্র জাদেজাকে ৯ রানে ফেরান জশ হ্যাজেলউড। বিরাটের ফেরার পর কেএল রাহুল ভারতকে ম্যাচে ফেরালেও ৬৬ (১০৭) রানের মাথায় বিদায় করেন স্টার্ক। এরপর মোহাম্মদ শামিকে ৬ রানে ফেরান স্টার্ক। জসপ্রীত বুমরাহকে ১ রানের বেশি করতে দেননি জাম্পা।

শেষদিকে সূর্যকুমার যাদবের ২৮ বলে ১৮, কুলদ্বীপ যাদবের ১০ আর মোহাম্মদ সিরাজের ৮ রানে ভর করে কোনোমতে ২৪০ রান করে ভারত।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ৩ উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। ২টি করে উইকেট নেন জশ হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্স। ১টি করে উইকেট নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও অ্যাডাম জাম্পা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন