ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দেশটাকে বাঁচান, শেখ হাসিনাকে বাঁচান ——- শামীম ওসমান

মো: সাদ্দাম হোসেন মুন্না খান (নিজস্ব প্রতিবেদক)
মো: সাদ্দাম হোসেন মুন্না খান (নিজস্ব প্রতিবেদক)
  • আপলোড সময় : ০৮:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৩২২ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, আজকে আমি আপনাদের বলতে চাই। দেশটাকে বাঁচান, শেখ হাসিনাকে বাঁচান। নয়ত আমার মত ত্রিশ বছর পর এখানে কাউকে দাঁড়িয়ে বলতে হবে আমাদের রাজনীতি করার কথা ছিল না। শেখ হাসিনাকে হারিয়ে আমাদের এ অবস্থা। মাটির নিচে আমাদের সম্পদ আছে। এছাড়াও আমাদের ভৌগলিক এলাকা গুরুত্বপূর্ণ। চায়না, ইন্ডিয়া, রাশিয়া পৃথিবীর বৃহৎ শক্তি। কেউ কেউ ধরেন এই সিদ্ধিরগঞ্জে বাজারের মাটি দখল করতে চায়। এখানে ঘাঁটি তৈরি করতে চায়। পানির নিচে নিউক্লিয়ার বোমা রাখতে চায়। রোহিঙ্গাদের ব্যাবহার করতে চায়।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে নাসিক ১ নং ওয়ার্ডের সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় এই নির্বাচনী সভায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।

সবটা বলা সম্ভব না। আমাদের নেতৃবৃন্দরা সবাই কিছুটা জানেন, সবটা জানেন না। আমাদের ভৌগলিক সীমা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুকেও একই শর্ত দেয়া হয়েছিল। জাতির পিতার সাথে তার কন্যার তফাৎ আছে। জাতির পিতা সবাইকে বিশ্বাস করেছিলেন। বাঙালি কোনদিন তার ক্ষতি করবে না এই বিশ্বাস তার ছিল। কোন পিতা, মাতা কী বিশ্বাস করবে তার সন্তান তাকে হত্যা করতে পারে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন। না হয়ে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রাম হয়েছিল।

আমরা পঁচাত্তরের পরে এসেছি রাজনীতিতে। আমাদের রাজনীতি করার কথা ছিল না। আমরা আমাদের শৈশব, যৌবন পাইনি৷ কখন বড় হয়ে গেছি বলতেও পারি না। ১৬ জুন ২০০১ সালে বোমা হামলায় আমার হাত খুলে পড়ল। মানুষের রক্ত এত গরম হতে পারে আমার ধারণা ছিল না। পার্লামেন্টে পতিতাপল্লীর গডফাদারদের থেকে উপঢৌকন নেয়ার ছবি দেখানোর পর বলেছিল ম্যাডাম খালেদা জিয়া, আমাকে দেখে নিবে। এভাবে দেখবেন বুঝিনি।

তিনি আরো বলেন, বোমা হামলার পর বেগম খালেদা জিয়া বলেছিল জাতির পিতার পরিবারের নিরাপত্তা আইন পাশ করতে নাকি আমরা নিজেদের ওপর এই বোমা হামলা ঘটিয়েছি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান বিএসসির সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের সভাপতি সাহাদাত হোসেন ভূইয়া সাজনু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের আহ্বায়ক নাসিক কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, নাসিক ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী ওমর ফারুক,
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভূইয়া রাজু,
আওয়ামীলীগ নেতা ব্যবসায়ী মোঃ সৈকত আলী রনি,
আওয়ামীলীগ নেতা মাহবুব হোসেন, আদমজী আঞ্চলিক শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুস ছামাদ বেপারী, মিজমিজি পাইনাদী রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির, ৭নং ওয়ার্ড ওয়ামীলীগ নেতা তানভীর কবির মুন্না প্রমুখসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এরপর তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের সিআইখোলা এলাকায় নাসিক ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী ওমর ফারুকের উদ্যোগে আয়োজিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন শামীম ওসমান এমপি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশটাকে বাঁচান, শেখ হাসিনাকে বাঁচান ——- শামীম ওসমান

আপলোড সময় : ০৮:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, আজকে আমি আপনাদের বলতে চাই। দেশটাকে বাঁচান, শেখ হাসিনাকে বাঁচান। নয়ত আমার মত ত্রিশ বছর পর এখানে কাউকে দাঁড়িয়ে বলতে হবে আমাদের রাজনীতি করার কথা ছিল না। শেখ হাসিনাকে হারিয়ে আমাদের এ অবস্থা। মাটির নিচে আমাদের সম্পদ আছে। এছাড়াও আমাদের ভৌগলিক এলাকা গুরুত্বপূর্ণ। চায়না, ইন্ডিয়া, রাশিয়া পৃথিবীর বৃহৎ শক্তি। কেউ কেউ ধরেন এই সিদ্ধিরগঞ্জে বাজারের মাটি দখল করতে চায়। এখানে ঘাঁটি তৈরি করতে চায়। পানির নিচে নিউক্লিয়ার বোমা রাখতে চায়। রোহিঙ্গাদের ব্যাবহার করতে চায়।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে নাসিক ১ নং ওয়ার্ডের সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় এই নির্বাচনী সভায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।

সবটা বলা সম্ভব না। আমাদের নেতৃবৃন্দরা সবাই কিছুটা জানেন, সবটা জানেন না। আমাদের ভৌগলিক সীমা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুকেও একই শর্ত দেয়া হয়েছিল। জাতির পিতার সাথে তার কন্যার তফাৎ আছে। জাতির পিতা সবাইকে বিশ্বাস করেছিলেন। বাঙালি কোনদিন তার ক্ষতি করবে না এই বিশ্বাস তার ছিল। কোন পিতা, মাতা কী বিশ্বাস করবে তার সন্তান তাকে হত্যা করতে পারে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন। না হয়ে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রাম হয়েছিল।

আমরা পঁচাত্তরের পরে এসেছি রাজনীতিতে। আমাদের রাজনীতি করার কথা ছিল না। আমরা আমাদের শৈশব, যৌবন পাইনি৷ কখন বড় হয়ে গেছি বলতেও পারি না। ১৬ জুন ২০০১ সালে বোমা হামলায় আমার হাত খুলে পড়ল। মানুষের রক্ত এত গরম হতে পারে আমার ধারণা ছিল না। পার্লামেন্টে পতিতাপল্লীর গডফাদারদের থেকে উপঢৌকন নেয়ার ছবি দেখানোর পর বলেছিল ম্যাডাম খালেদা জিয়া, আমাকে দেখে নিবে। এভাবে দেখবেন বুঝিনি।

তিনি আরো বলেন, বোমা হামলার পর বেগম খালেদা জিয়া বলেছিল জাতির পিতার পরিবারের নিরাপত্তা আইন পাশ করতে নাকি আমরা নিজেদের ওপর এই বোমা হামলা ঘটিয়েছি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান বিএসসির সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের সভাপতি সাহাদাত হোসেন ভূইয়া সাজনু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের আহ্বায়ক নাসিক কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, নাসিক ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী ওমর ফারুক,
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভূইয়া রাজু,
আওয়ামীলীগ নেতা ব্যবসায়ী মোঃ সৈকত আলী রনি,
আওয়ামীলীগ নেতা মাহবুব হোসেন, আদমজী আঞ্চলিক শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুস ছামাদ বেপারী, মিজমিজি পাইনাদী রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির, ৭নং ওয়ার্ড ওয়ামীলীগ নেতা তানভীর কবির মুন্না প্রমুখসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এরপর তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের সিআইখোলা এলাকায় নাসিক ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী ওমর ফারুকের উদ্যোগে আয়োজিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন শামীম ওসমান এমপি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন