ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে পুকুরে অবরুদ্ধ কুমির ৩৫ বছর পর উদ্ধার

মোহাম্মদ আবু নাছের (জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী)
মোহাম্মদ আবু নাছের (জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী)
  • আপলোড সময় : ০৬:৫৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে অবরুদ্ধ এক কুমির ৩৫ বছর পর উদ্ধার করা হয়েছ।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলা চরহাজারী ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চরহাজারী গ্রামের কুমির আলা বাড়ির পুকুর থেকে বন্যপ্রাণী ও অপরাধ দমন ইউনিটের একটি দল কুমিরটি উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩৫ বছর উপজেলার চরহাজারী গ্রামের কুমির আলা বাড়ির পুকুরে অবৈধভাবে অবরুদ্ধ ছিল লোনা পানির এ কুমির। ওই কুমিরের নাম অনুসারে বাড়িটি পরিচিতি লাভ করে কুমির আলা বাড়ি হিসেবে। বছর খানেক আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসে বন্যপ্রাণী ও অপরাধ দমন ইউনিটের। এরপর শনিবার দুপুর ২ টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় বন্যপ্রাণী ও অপরাধ দমন ইউনিট। সেখানে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে কুমিরটি উদ্ধার করে নোয়াখালী উপকূলীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় নিয়ে আসা হয় । স্থানীয়দের মধ্যে জনশ্রুতি রয়েছে অনেক মানুষ উদ্দেশ্য পূরণে মানত করে এ কুমিরকে খাওয়ার দিত।

বন্যপ্রাণী ওজীববৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা রথীন্দ্র কুমার বিশ্বাস বলেন,গত বছর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি আমরা অবগত হই। উদ্ধারকৃত কুমিরটি পঞ্চাশ বছর বয়সী এর ওজন প্রায় ১’শ কেজি। এখান থেকে কুমিরটি চট্রগ্রামের সাফারি পার্কে নিয়ে চিকিৎসা শেষে অবমুক্ত করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালীর উপকূলীয় বনকর্মকর্তা আবু ইউসুফ,বন্যপ্রণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা প্রমূখ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে পুকুরে অবরুদ্ধ কুমির ৩৫ বছর পর উদ্ধার

আপলোড সময় : ০৬:৫৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে অবরুদ্ধ এক কুমির ৩৫ বছর পর উদ্ধার করা হয়েছ।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলা চরহাজারী ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চরহাজারী গ্রামের কুমির আলা বাড়ির পুকুর থেকে বন্যপ্রাণী ও অপরাধ দমন ইউনিটের একটি দল কুমিরটি উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩৫ বছর উপজেলার চরহাজারী গ্রামের কুমির আলা বাড়ির পুকুরে অবৈধভাবে অবরুদ্ধ ছিল লোনা পানির এ কুমির। ওই কুমিরের নাম অনুসারে বাড়িটি পরিচিতি লাভ করে কুমির আলা বাড়ি হিসেবে। বছর খানেক আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসে বন্যপ্রাণী ও অপরাধ দমন ইউনিটের। এরপর শনিবার দুপুর ২ টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় বন্যপ্রাণী ও অপরাধ দমন ইউনিট। সেখানে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে কুমিরটি উদ্ধার করে নোয়াখালী উপকূলীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় নিয়ে আসা হয় । স্থানীয়দের মধ্যে জনশ্রুতি রয়েছে অনেক মানুষ উদ্দেশ্য পূরণে মানত করে এ কুমিরকে খাওয়ার দিত।

বন্যপ্রাণী ওজীববৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা রথীন্দ্র কুমার বিশ্বাস বলেন,গত বছর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি আমরা অবগত হই। উদ্ধারকৃত কুমিরটি পঞ্চাশ বছর বয়সী এর ওজন প্রায় ১’শ কেজি। এখান থেকে কুমিরটি চট্রগ্রামের সাফারি পার্কে নিয়ে চিকিৎসা শেষে অবমুক্ত করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালীর উপকূলীয় বনকর্মকর্তা আবু ইউসুফ,বন্যপ্রণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা প্রমূখ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন