ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডেমরায় আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১১

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১০:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ডেমরায় ফেসি ইন নামের একটি আবাসিক হোটেল থেকে যৌনকর্মী, খদ্দের ও হোটেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হোটেল ফেসি ইনের সহকারী ম্যানেজার মো. শুভ (২২), ক্যাশিয়ার মো.পারভেজ (২৩), স্টাফ মো.আলাউদ্দিন (৩৪), হোটেল বয় মো. সোহেল (২৬), খদ্দের মো. আল আমীন (২৫), রফিকুল ইসলাম (৩৪), মো. রাব্বী (২৫), যৌনকর্মী মোছা. কাজল (২৫), মোছা. স্মৃতি জাহান ওরফে মিম (২৪), মোছা. ডালিয়া (২৭) ও মোছা. শাকিলা অক্তার তাবাসুম (২৪)।

 

এদিকে, অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হোটেলের মালিক জয় (৩৮) ও ম্যানেজার মো. আফজাল (৩৫) পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে গতকাল রাতে তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে ডেমরা থানায় মামলা করা হয়েছে। আগেও এ হোটেলে দেহব্যবসা পরিচালনার কারণে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষের অনেকের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলা হয়েছে।

ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তকা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ডেমরা থানায় যোগদানের পর থেকেই এ আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে কর্তৃপক্ষকে নিষেধ করেছি। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পরে তারা আবার ওই কাজ শুরু করেছে খবর পেয়ে হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘পলাতক আসামিরা হোটেলের গ্রেপ্তার চারজনের সহযোগিতায় মেয়েদের সংগ্রহ করে। পরে ওই মেয়েদের বিভিন্ন কাজের সুযাগে করে দেওয়ার প্রলোভেন দেখিয়ে হোটেলটিতে এনে খদ্দের সংগ্রহ করতেন।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডেমরায় আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১১

আপলোড সময় : ১০:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজধানীর ডেমরায় ফেসি ইন নামের একটি আবাসিক হোটেল থেকে যৌনকর্মী, খদ্দের ও হোটেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হোটেল ফেসি ইনের সহকারী ম্যানেজার মো. শুভ (২২), ক্যাশিয়ার মো.পারভেজ (২৩), স্টাফ মো.আলাউদ্দিন (৩৪), হোটেল বয় মো. সোহেল (২৬), খদ্দের মো. আল আমীন (২৫), রফিকুল ইসলাম (৩৪), মো. রাব্বী (২৫), যৌনকর্মী মোছা. কাজল (২৫), মোছা. স্মৃতি জাহান ওরফে মিম (২৪), মোছা. ডালিয়া (২৭) ও মোছা. শাকিলা অক্তার তাবাসুম (২৪)।

 

এদিকে, অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হোটেলের মালিক জয় (৩৮) ও ম্যানেজার মো. আফজাল (৩৫) পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে গতকাল রাতে তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে ডেমরা থানায় মামলা করা হয়েছে। আগেও এ হোটেলে দেহব্যবসা পরিচালনার কারণে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষের অনেকের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলা হয়েছে।

ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তকা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ডেমরা থানায় যোগদানের পর থেকেই এ আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে কর্তৃপক্ষকে নিষেধ করেছি। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পরে তারা আবার ওই কাজ শুরু করেছে খবর পেয়ে হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘পলাতক আসামিরা হোটেলের গ্রেপ্তার চারজনের সহযোগিতায় মেয়েদের সংগ্রহ করে। পরে ওই মেয়েদের বিভিন্ন কাজের সুযাগে করে দেওয়ার প্রলোভেন দেখিয়ে হোটেলটিতে এনে খদ্দের সংগ্রহ করতেন।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন