ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মশায় অতিষ্ঠ সোনারগাঁয়ের মানুুষ

মোঃ ফাহাদুল ইসলাম শরীফ (সোনারগাঁ প্রতিনিধি)
মোঃ ফাহাদুল ইসলাম শরীফ (সোনারগাঁ প্রতিনিধি)
  • আপলোড সময় : ০৮:৩৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

বাসায় থাকা দুষ্কর হয়। কোথাও বসলে শরীরে মশা জেঁকে বসে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাঝেমধ্যে যে মশার ওষুধ ছিটায় তার মান ভালো না। এর কারণে কোনো কাজ হয় না।

এদিকে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন এলাকায় মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ রক্ত চুষে খাওয়া মশার ছবি ও ভিডিও পোস্ট করতে দেখা গেছে।  

সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বাড়ীচিনিষ, বাড়িমজলীশ , বন্দেরা গ্রামবাসী বলেন, প্রতি বছরই নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত কিউলেক্স মশার বিস্তার বাড়ে। বিশেষ করে অত্র এলাকার কোম্পানি ও ফ্যাক্টরির বিষাক্ত কালো ধোয়া, কালো ও দূষিত পানি ডোবা, খাল, নালা ও ঝিল জন্ম নেওয়া মশার উৎপাত বেড়ে গেছে।

এবছরও কিউলেক্স মশার প্রকোপ অনেক বেশি। এখনই জরুরি ভাবে নিয়ন্ত্রণ না করলে মার্চ পর্যন্ত এই মশা সোনারগাঁয়ের মানুষ কে   ভোগাবে। বাসাবাড়ি কোথাও এখন নিরাপদ নয়। মশার কামড়ের জন্য মানুষ বাইরে দাঁড়াতে পারে না।

সোনারগাঁয়ে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু করে প্রতিটি মহল্লার নর্দমা, খাল ও ডোবায় অভিযান পরিচালনা করলে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ ছাড়া যেসব ডোবা, নর্দমা আছে সেখানে ৭ দিন পর পর কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। তাহলে মশা কমে আসবে। খালগুলোতে গাপ্তি মাছ ও বিটিআই ব্যাকটেরিয়া ছাড়লে মশার লার্ভা বিনষ্ট হয়ে যাবে। এতে গ্রামবাসী অনেক বেশি উপকৃত হবে।

এবিষয়ে সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, ইউনিয়ন ভিত্তিক ভাবে মশক নিধন ঔষধের কোন ব্যবস্থা আপাতত নেই , তবে আগামী আইন-শৃঙ্খলা মিটিংয়ে আমি এ বিষয়টি উত্থাপন করব। যদি উপজেলা থেকে কোন ব্যবস্থা হয় তা ইউনিয়নবাসী উপকৃত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মশায় অতিষ্ঠ সোনারগাঁয়ের মানুুষ

আপলোড সময় : ০৮:৩৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাসায় থাকা দুষ্কর হয়। কোথাও বসলে শরীরে মশা জেঁকে বসে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাঝেমধ্যে যে মশার ওষুধ ছিটায় তার মান ভালো না। এর কারণে কোনো কাজ হয় না।

এদিকে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন এলাকায় মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ রক্ত চুষে খাওয়া মশার ছবি ও ভিডিও পোস্ট করতে দেখা গেছে।  

সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বাড়ীচিনিষ, বাড়িমজলীশ , বন্দেরা গ্রামবাসী বলেন, প্রতি বছরই নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত কিউলেক্স মশার বিস্তার বাড়ে। বিশেষ করে অত্র এলাকার কোম্পানি ও ফ্যাক্টরির বিষাক্ত কালো ধোয়া, কালো ও দূষিত পানি ডোবা, খাল, নালা ও ঝিল জন্ম নেওয়া মশার উৎপাত বেড়ে গেছে।

এবছরও কিউলেক্স মশার প্রকোপ অনেক বেশি। এখনই জরুরি ভাবে নিয়ন্ত্রণ না করলে মার্চ পর্যন্ত এই মশা সোনারগাঁয়ের মানুষ কে   ভোগাবে। বাসাবাড়ি কোথাও এখন নিরাপদ নয়। মশার কামড়ের জন্য মানুষ বাইরে দাঁড়াতে পারে না।

সোনারগাঁয়ে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু করে প্রতিটি মহল্লার নর্দমা, খাল ও ডোবায় অভিযান পরিচালনা করলে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ ছাড়া যেসব ডোবা, নর্দমা আছে সেখানে ৭ দিন পর পর কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। তাহলে মশা কমে আসবে। খালগুলোতে গাপ্তি মাছ ও বিটিআই ব্যাকটেরিয়া ছাড়লে মশার লার্ভা বিনষ্ট হয়ে যাবে। এতে গ্রামবাসী অনেক বেশি উপকৃত হবে।

এবিষয়ে সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, ইউনিয়ন ভিত্তিক ভাবে মশক নিধন ঔষধের কোন ব্যবস্থা আপাতত নেই , তবে আগামী আইন-শৃঙ্খলা মিটিংয়ে আমি এ বিষয়টি উত্থাপন করব। যদি উপজেলা থেকে কোন ব্যবস্থা হয় তা ইউনিয়নবাসী উপকৃত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন