ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৮:১০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪
  • / ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

মাদক দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে এক যুবকের কাছ থেকে দশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মো. কামরুল হাসান ও এএসআই ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে। আর এই কাজে সহযোগিতা করেছে পুলিশের কথিত সোর্স পুলিশের সিএনজি ড্রাইভার বিল্লাল ও আল আমিন। সাইলো গেইট এলাকার আমিজ উদ্দিনের বাড়ির সামনে থেকে গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে সোর্স বিল্লালের কথায় আটক করে ৪নং ওয়ার্ড বিট পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে ভুক্তভোগী খোকনকে শারীরিক নির্যাতন করে এসআই কামরুল ও এএসআই ইলিয়াস। পরে খোকনের কাছ থেকে দশ হাজার টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

ভুক্তভোগী খোকন পেশায় গাড়ি চালক। তার দাবি, পুলিশ ও সোর্সরা অহেতুক সাধারণ মানুষকে আটক মাদক দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়ে যায়। সাধারণ মানুষকে অহেতুক হয়রানি করার মানে হয় না। পুলিশ যদি এভাবে অত্যাচার করে, আমরা কোথায় যাবো?
জানা যায়, সোর্স বিল্লাল হোসেন পুলিশের নিজস্ব সিএনজি ড্রাইভার। এছাড়া এএসআই ইলিয়াস হোসেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত তাকে পোশাকে দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুম হাসান বলেন, আমি এ ঘটনার সাথে জড়িত না। কেন যে আমার নাম আসলো, বুঝলাম না। সে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিককে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৮:১০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

মাদক দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে এক যুবকের কাছ থেকে দশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মো. কামরুল হাসান ও এএসআই ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে। আর এই কাজে সহযোগিতা করেছে পুলিশের কথিত সোর্স পুলিশের সিএনজি ড্রাইভার বিল্লাল ও আল আমিন। সাইলো গেইট এলাকার আমিজ উদ্দিনের বাড়ির সামনে থেকে গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে সোর্স বিল্লালের কথায় আটক করে ৪নং ওয়ার্ড বিট পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে ভুক্তভোগী খোকনকে শারীরিক নির্যাতন করে এসআই কামরুল ও এএসআই ইলিয়াস। পরে খোকনের কাছ থেকে দশ হাজার টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

ভুক্তভোগী খোকন পেশায় গাড়ি চালক। তার দাবি, পুলিশ ও সোর্সরা অহেতুক সাধারণ মানুষকে আটক মাদক দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়ে যায়। সাধারণ মানুষকে অহেতুক হয়রানি করার মানে হয় না। পুলিশ যদি এভাবে অত্যাচার করে, আমরা কোথায় যাবো?
জানা যায়, সোর্স বিল্লাল হোসেন পুলিশের নিজস্ব সিএনজি ড্রাইভার। এছাড়া এএসআই ইলিয়াস হোসেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত তাকে পোশাকে দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুম হাসান বলেন, আমি এ ঘটনার সাথে জড়িত না। কেন যে আমার নাম আসলো, বুঝলাম না। সে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিককে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন