ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সভাপতির কার্যক্রম,মাদকের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০১:০৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪
  • / ৩০২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ডেমরা থানা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটি হয়েছে বিগত ৬ মাস পূর্বে।দীর্ঘ ছয় মাস কমিটি অতিবাহিত হলে ও সাংগঠনিক নেই গতিশীলতা। ঝিমিয়ে পড়েছে থানা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হক সাগরের মাঠ পর্যায়ের গতিশীলতা থাকলে ও সভাপতি মহিবুর রহমান ভূঁইয়া রনিকে রাজপথে দেখা তো দূরের কথা সাংগঠনিক কার্যক্রমে নেই কোনো দূরদর্শিতা। অনেকটা একপেশে চলছে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব। কমিটি ঘোষণার তিন মাস পর পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার কথা থাকলে ও বাস্তবায়ন হয় নি ছয় মাসে ও এতে ছাত্রলীগের পদ-পদবীধারীরা হতাশার মধ্যে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।সরকার বিরোধী বিএনপি জামাতের আন্দোলনর সময় ও বর্তমান সভাপতি রনিকে মাঠে দেখা যায় নি।বিভিন্ন ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত লোকবল বা নেতাকর্মী তৈরি করতে এখন সক্ষম হতে পারে নি ছাত্রলীগের এই নেতা। তাকে ঘিরে সর্বত্র সমালোচনা বইছে।মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কমিটিতে পদ বানিজ্যের ফলে এই অবস্থা হয়েছে তার।এছাড়া ও তার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রি অভিযোগ রয়েছে। সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিফ খান তার কাছ থেকে মাদক নিয়ে বিক্রি করতো বলে জানা গেছে। ২০১৬ সালে ১৬ জুলাই তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মাদক মামলা হয়।মামলা নং-২৪।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ জানান,বর্তমান সভাপতি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে কমিটির দায়িত্ব পেয়েছে।বিবাহিত হয়ে কমিটিতে থেকে ঘর সামলাবে নাকি রাজপথ সামলাবে সভাপতি। সিলেবাসের বাহিরে কমিটি পেয়ে এখন ছাত্রলীগটা কলুষিত করছে একপক্ষ। আমাদের তৃনমূল নেতৃবৃন্দরা দীর্ঘদিন রাজপথে ছিলাম এবং আন্দোলন সংগ্রামে সম্মুখে থেকে রাজপথ দখল নিয়েছি অথচ টাকার বিনিময়ে পদ নিয়ে এসে ছাত্রলীগ কে অসাংগঠনিক করে রেখেছে বর্তমান সভাপতি।কমিটি নিয়ে সে গাপটি মেরে ঘরে বসে দেদারছে মাদক ও অবৈধ কাজে লিপ্ত হচ্ছে। তার পিছনে থেকে কেউ রাজনীতি করতে চায় না বলে অভিমত একাধিক নেতাকর্মীর।

একাধিক সূত্র মতে জানা গেছে, বর্তমান সভাপতি মহিবুর রহমান ভূঁইয়া রনি মাদকের সাথে ও জড়িত রয়েছে।সভাপতির বিরুদ্ধে একটি পক্ষ নারাজ।তৃনমূলের নেতৃবৃন্দ চায় মাদক ও অসাংগঠনিকমুক্ত ছাত্রলীগকে যে লিড দিতে পারবে তার হাতেই থাকুক ছাত্রলীগের দায়িত্ব।

গত বছর নতুন কমিটি দেওয়ার পর একাধিক গণমাধ্যম ডেমরায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্র মামলার আসামী খবর প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয়।৩০-৪০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ভাগিয়ে নেওয়া হয়েছে সভাপতির পদ শীর্ষক খবরের পাতায় শোরগোল ছিল।বলতে গেলে নামেই সভাপতি কিন্তু কামের নয়।রমজানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত থাকলে ও মাঠে দেখা নেই সভাপতি মহিবুর রহমান রনির।

প্রসঙ্গত,সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসিফ খান ফেন্সিডিলসহ হাতে নাতে নিজ কার্যালয়ে গ্রেফতার হওয়ার পর ছাত্রলীগের নীতি নিধারন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।কোন পথে হাটছে ছাত্রলীগের ভবিষ্যত কর্মকান্ড। প্রত্যেকই জড়িয়ে পড়ছেন কোন না কোন অপরাধে।

এ বিষয়ে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মহিবুর রহমান রনি বলেন,আমি ঈদের আগে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করবো।কমপক্ষে দুইটি ওয়ার্ড গঠন করবো ঈদের আগে। সাধারণ সম্পাদক যেভাবে প্রচারণা ও কার্যক্রম করছে সেভাবে আমি করতে পারবো না।অসাংগঠনিক ও নিষ্ক্রিয়তার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন,আমি সাধ্যমত তৃনমূলের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছি।আমার বিষয়ে একটি মহল ইন্ধন দিয়ে অপপ্রচার করছে সামাজিক মাধ্যমে।

ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হক সাগর বলেন,দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল কুন্ডু দাদার নির্দেশনা মোতাবেক সাধারণ মানুষের পাশে দাড়াচ্ছি।রমজানে ও মানুষের পাশে আছি।সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় রাজপথে ছিলাম। সভাপতির রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে জানতে চাইলে বলেন,আমি ছাত্রলীগের নির্দেশনা মোতাবেক মাঠে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করছি কিন্তু সভাপতির জন্য কর্মীরা নানা ধরনের অভিযোগ করছে।তিনি যদি মাঠে সক্রিয় থাকতো তাহলে সুন্দর হতো।

দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি দেখতেছি।নগর থেকে আমরা প্রতিনিয়ত ই নির্দেশনা দিচ্ছি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য।যারা দায়িত্ব নিয়ে অবহেলা ও গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল কুন্ডুর হোয়াটসঅ্যাপ এ যোগাযোগ করলে তিনি জানান,গুরুতর কোনো অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দায়িত্ব অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

মাদকের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন,মাদকের সাথে যেই জড়িত থাকবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।মাদক নির্মূলে জোরালো ভূমিকা পালন করা হবে।

উল্লেখ্য যে,গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক সজল কুন্ডু এক বিজ্ঞপ্তিতে মহিবুর রহমান ভূইয়া রনিকে সভাপতি ও আকরামুল হক সাগরকে সাধারণ সম্পাদক করে ১ বছরের জন্য ১৪ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক এ কমিটি ঘোষণা করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগামী তিন মাসের মধ্যে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করারও নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।কিন্তু আদোও তা বাস্তবায়ন হয় নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সভাপতির কার্যক্রম,মাদকের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ

আপলোড সময় : ০১:০৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

রাজধানীর ডেমরা থানা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটি হয়েছে বিগত ৬ মাস পূর্বে।দীর্ঘ ছয় মাস কমিটি অতিবাহিত হলে ও সাংগঠনিক নেই গতিশীলতা। ঝিমিয়ে পড়েছে থানা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হক সাগরের মাঠ পর্যায়ের গতিশীলতা থাকলে ও সভাপতি মহিবুর রহমান ভূঁইয়া রনিকে রাজপথে দেখা তো দূরের কথা সাংগঠনিক কার্যক্রমে নেই কোনো দূরদর্শিতা। অনেকটা একপেশে চলছে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব। কমিটি ঘোষণার তিন মাস পর পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার কথা থাকলে ও বাস্তবায়ন হয় নি ছয় মাসে ও এতে ছাত্রলীগের পদ-পদবীধারীরা হতাশার মধ্যে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।সরকার বিরোধী বিএনপি জামাতের আন্দোলনর সময় ও বর্তমান সভাপতি রনিকে মাঠে দেখা যায় নি।বিভিন্ন ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত লোকবল বা নেতাকর্মী তৈরি করতে এখন সক্ষম হতে পারে নি ছাত্রলীগের এই নেতা। তাকে ঘিরে সর্বত্র সমালোচনা বইছে।মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কমিটিতে পদ বানিজ্যের ফলে এই অবস্থা হয়েছে তার।এছাড়া ও তার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক বিক্রি অভিযোগ রয়েছে। সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিফ খান তার কাছ থেকে মাদক নিয়ে বিক্রি করতো বলে জানা গেছে। ২০১৬ সালে ১৬ জুলাই তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মাদক মামলা হয়।মামলা নং-২৪।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ জানান,বর্তমান সভাপতি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে কমিটির দায়িত্ব পেয়েছে।বিবাহিত হয়ে কমিটিতে থেকে ঘর সামলাবে নাকি রাজপথ সামলাবে সভাপতি। সিলেবাসের বাহিরে কমিটি পেয়ে এখন ছাত্রলীগটা কলুষিত করছে একপক্ষ। আমাদের তৃনমূল নেতৃবৃন্দরা দীর্ঘদিন রাজপথে ছিলাম এবং আন্দোলন সংগ্রামে সম্মুখে থেকে রাজপথ দখল নিয়েছি অথচ টাকার বিনিময়ে পদ নিয়ে এসে ছাত্রলীগ কে অসাংগঠনিক করে রেখেছে বর্তমান সভাপতি।কমিটি নিয়ে সে গাপটি মেরে ঘরে বসে দেদারছে মাদক ও অবৈধ কাজে লিপ্ত হচ্ছে। তার পিছনে থেকে কেউ রাজনীতি করতে চায় না বলে অভিমত একাধিক নেতাকর্মীর।

একাধিক সূত্র মতে জানা গেছে, বর্তমান সভাপতি মহিবুর রহমান ভূঁইয়া রনি মাদকের সাথে ও জড়িত রয়েছে।সভাপতির বিরুদ্ধে একটি পক্ষ নারাজ।তৃনমূলের নেতৃবৃন্দ চায় মাদক ও অসাংগঠনিকমুক্ত ছাত্রলীগকে যে লিড দিতে পারবে তার হাতেই থাকুক ছাত্রলীগের দায়িত্ব।

গত বছর নতুন কমিটি দেওয়ার পর একাধিক গণমাধ্যম ডেমরায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্র মামলার আসামী খবর প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয়।৩০-৪০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ভাগিয়ে নেওয়া হয়েছে সভাপতির পদ শীর্ষক খবরের পাতায় শোরগোল ছিল।বলতে গেলে নামেই সভাপতি কিন্তু কামের নয়।রমজানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত থাকলে ও মাঠে দেখা নেই সভাপতি মহিবুর রহমান রনির।

প্রসঙ্গত,সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসিফ খান ফেন্সিডিলসহ হাতে নাতে নিজ কার্যালয়ে গ্রেফতার হওয়ার পর ছাত্রলীগের নীতি নিধারন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।কোন পথে হাটছে ছাত্রলীগের ভবিষ্যত কর্মকান্ড। প্রত্যেকই জড়িয়ে পড়ছেন কোন না কোন অপরাধে।

এ বিষয়ে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মহিবুর রহমান রনি বলেন,আমি ঈদের আগে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করবো।কমপক্ষে দুইটি ওয়ার্ড গঠন করবো ঈদের আগে। সাধারণ সম্পাদক যেভাবে প্রচারণা ও কার্যক্রম করছে সেভাবে আমি করতে পারবো না।অসাংগঠনিক ও নিষ্ক্রিয়তার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন,আমি সাধ্যমত তৃনমূলের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছি।আমার বিষয়ে একটি মহল ইন্ধন দিয়ে অপপ্রচার করছে সামাজিক মাধ্যমে।

ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হক সাগর বলেন,দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল কুন্ডু দাদার নির্দেশনা মোতাবেক সাধারণ মানুষের পাশে দাড়াচ্ছি।রমজানে ও মানুষের পাশে আছি।সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় রাজপথে ছিলাম। সভাপতির রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে জানতে চাইলে বলেন,আমি ছাত্রলীগের নির্দেশনা মোতাবেক মাঠে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করছি কিন্তু সভাপতির জন্য কর্মীরা নানা ধরনের অভিযোগ করছে।তিনি যদি মাঠে সক্রিয় থাকতো তাহলে সুন্দর হতো।

দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি দেখতেছি।নগর থেকে আমরা প্রতিনিয়ত ই নির্দেশনা দিচ্ছি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য।যারা দায়িত্ব নিয়ে অবহেলা ও গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল কুন্ডুর হোয়াটসঅ্যাপ এ যোগাযোগ করলে তিনি জানান,গুরুতর কোনো অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দায়িত্ব অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

মাদকের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন,মাদকের সাথে যেই জড়িত থাকবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।মাদক নির্মূলে জোরালো ভূমিকা পালন করা হবে।

উল্লেখ্য যে,গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক সজল কুন্ডু এক বিজ্ঞপ্তিতে মহিবুর রহমান ভূইয়া রনিকে সভাপতি ও আকরামুল হক সাগরকে সাধারণ সম্পাদক করে ১ বছরের জন্য ১৪ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক এ কমিটি ঘোষণা করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগামী তিন মাসের মধ্যে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করারও নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।কিন্তু আদোও তা বাস্তবায়ন হয় নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন