ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আড়াইহাজারে ভিপি সুজন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী

রফিকুল ইসলাম রানা (নিজস্ব প্রতিবেদক)
রফিকুল ইসলাম রানা (নিজস্ব প্রতিবেদক)
  • আপলোড সময় : ০৩:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪
  • / ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

সিইসির সদ্য ঘোষিত তফছিল অনুযায়ি অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার অভিপ্রায়ে ভোটারদের কাছে দোয়া ও শুভকামানা কূড়াচ্ছেন নব্বই দশকের তুখোড় ছাত্র নেতা এবং সরকারী সফর আলী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি কাজী সুজন ইকবাল। যেমন দোয়া চাচ্ছেন তেমন জনগণের কাছ থেকে সাড়া ও পাচ্ছেন তিনি। তার ফেজবুক পেইজে আপলোডকৃত দোয়া কামনার স্ট্যাটাজ গুলোতে কমেন্টের বাহার লক্ষ্য করলেই সেটি বুঝা যাচ্ছে। তা ছাড়া এলাকার বিভিন্ন মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত হয়ে তিনি নিজে আওয়ামীলীগ থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রাপ্তির জন্য ভোটারদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছেন ।
ভিপি সুজন একজন সৎ সাহসী ও নিষ্ঠাবান ছাত্রনেতা। ৯০ এর দশকে সরকারী সফর আলী কলেজ আড়াইহাজারের একমাত্র উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল বলে এ কলেজের ভিপি হিসেবে তাকে উপজেলার ৩১৫ টি গ্রামের মানুষ দলমত নির্বিশেষে এক নামে চিনেন।
আড়াইহাজার পৌরসভার নোয়াপাড়া গ্রামের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোসলেহউদ্দিন আহমেদ এর ছেলে ভিপি সুজন। তিনি কর্তমান জাতীয় সংসদের হুইপ ও নারায়ণগঞ্জ- ২ ( আড়াইহাজার ) আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর হাত ধরে আওয়ামী রাজনীতিতে আসেন। নজরুল ইসলাম বাবুর অত্যন্ত স্নেহধন্য ভিপি সুজন। তিনি ছাত্র রাজনীতিতে থাকা কালিন সময় থেকে শুরু করে অদ্যাবধী আওয়ামলীগের রাজনীতিতে স্বক্রীয় ভাবে জড়িত। ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিত। রাজনীেিত সময় দিতে গিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসা হয়নি তার। তিনি একজন ত্যাগি আওয়ামীলীগ নেতা এবং আওয়ামী পরিবারের সু-সন্তান।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভিপি সুজন বলেন, নজরুল ইসলাম বাবু ভাই আমার রাজনৈতিক গুরু। আড়াইহাজার বাসীর কাছে আজকে আমার যে পরিচিতি তা সম্পূর্ণ অবদান আমার নেতা নজরুল ইসলাম বাবু ভাইয়ের। রাজনীতি থেকে কোন কিছু চাওয়া-পাওয়ার ইচ্ছা আমার নেই, জীবন যৌবন সবকিছু নেতার জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আমার নেতা নজুল ইসরাম বাবুর নির্দেশ মোতাবেক যা যা করার প্রয়োজন হবে আমি তার সবই করতে রাজী আছি এবং করে যাচ্ছি।
গোপনে উপজেলার সাধারণ মানুষের মতামত জানতে চাইলে ভিপি সুজনের প্রতি তাদের আস্থা থাকার নমুনা পাওয়া যায় অনেকের কাছে। আড়াইহাজার উপজেলার আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মীরাও চান কাজী সুজন ইকবালকে উপজেলা পরিষদের এর চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আড়াইহাজারে ভিপি সুজন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী

আপলোড সময় : ০৩:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪

সিইসির সদ্য ঘোষিত তফছিল অনুযায়ি অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার অভিপ্রায়ে ভোটারদের কাছে দোয়া ও শুভকামানা কূড়াচ্ছেন নব্বই দশকের তুখোড় ছাত্র নেতা এবং সরকারী সফর আলী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি কাজী সুজন ইকবাল। যেমন দোয়া চাচ্ছেন তেমন জনগণের কাছ থেকে সাড়া ও পাচ্ছেন তিনি। তার ফেজবুক পেইজে আপলোডকৃত দোয়া কামনার স্ট্যাটাজ গুলোতে কমেন্টের বাহার লক্ষ্য করলেই সেটি বুঝা যাচ্ছে। তা ছাড়া এলাকার বিভিন্ন মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত হয়ে তিনি নিজে আওয়ামীলীগ থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রাপ্তির জন্য ভোটারদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছেন ।
ভিপি সুজন একজন সৎ সাহসী ও নিষ্ঠাবান ছাত্রনেতা। ৯০ এর দশকে সরকারী সফর আলী কলেজ আড়াইহাজারের একমাত্র উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল বলে এ কলেজের ভিপি হিসেবে তাকে উপজেলার ৩১৫ টি গ্রামের মানুষ দলমত নির্বিশেষে এক নামে চিনেন।
আড়াইহাজার পৌরসভার নোয়াপাড়া গ্রামের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোসলেহউদ্দিন আহমেদ এর ছেলে ভিপি সুজন। তিনি কর্তমান জাতীয় সংসদের হুইপ ও নারায়ণগঞ্জ- ২ ( আড়াইহাজার ) আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর হাত ধরে আওয়ামী রাজনীতিতে আসেন। নজরুল ইসলাম বাবুর অত্যন্ত স্নেহধন্য ভিপি সুজন। তিনি ছাত্র রাজনীতিতে থাকা কালিন সময় থেকে শুরু করে অদ্যাবধী আওয়ামলীগের রাজনীতিতে স্বক্রীয় ভাবে জড়িত। ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিত। রাজনীেিত সময় দিতে গিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসা হয়নি তার। তিনি একজন ত্যাগি আওয়ামীলীগ নেতা এবং আওয়ামী পরিবারের সু-সন্তান।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভিপি সুজন বলেন, নজরুল ইসলাম বাবু ভাই আমার রাজনৈতিক গুরু। আড়াইহাজার বাসীর কাছে আজকে আমার যে পরিচিতি তা সম্পূর্ণ অবদান আমার নেতা নজরুল ইসলাম বাবু ভাইয়ের। রাজনীতি থেকে কোন কিছু চাওয়া-পাওয়ার ইচ্ছা আমার নেই, জীবন যৌবন সবকিছু নেতার জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আমার নেতা নজুল ইসরাম বাবুর নির্দেশ মোতাবেক যা যা করার প্রয়োজন হবে আমি তার সবই করতে রাজী আছি এবং করে যাচ্ছি।
গোপনে উপজেলার সাধারণ মানুষের মতামত জানতে চাইলে ভিপি সুজনের প্রতি তাদের আস্থা থাকার নমুনা পাওয়া যায় অনেকের কাছে। আড়াইহাজার উপজেলার আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মীরাও চান কাজী সুজন ইকবালকে উপজেলা পরিষদের এর চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন