ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইবিতে আবর্জনা পোড়াতে গিয়ে পুড়লো একাধিক গাছ।

রাকিবুল হাসান রাকিব (ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
রাকিবুল হাসান রাকিব (ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
  • আপলোড সময় : ০৯:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪
  • / ২৩২ বার পড়া হয়েছে

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আবর্জনা পোড়াতে গিয়ে ২০টিরও অধিক গাছ আগুনে পুড়ে গেছে। গত মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনের রাস্তার পাশে এ ঘটনা ঘটে।

আবর্জনার স্তুপে আগুন দেওয়া পরিচ্ছন্নতাকর্মী সত্য রায় জানান, মঙ্গলবার দুপুরে হলের সামনে পুকুরের ধারে আবর্জনার স্তুপে আগুন দেন তিনি। আগুন লাগানোর পর তিনি সেখান থেকে চলে যান। পরবর্তীতে বাতাসের সাথে আগুন চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, আগুনে রাস্তার ধারে সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য লাগানো দেবদারু, লেবু ও অন্যান্য গাছ মিলে ২০ টিরও অধিক গাছ পুড়ে গেছে। ইতোমধ্যে পোড়া গাছগুলোর পাতা ঝরতে শুরু করেছে। এছাড়া ভেতরের দিকে বড় গাছগুলোর উপরের পাতাগুলো না পুড়লেও গাছগুলোর গোড়ায় পোড়ার দাগ স্পষ্ট। এদিকে তীব্র গরমে গাছের সজীবতা হারাচ্ছে অন্যদিকে একাধিক গাছের গোড়ায় দগ্ধের চিহ্ন।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, গাছ আমাদের ফল, ফুল ও ছায়া দিয়ে সহযোগিতা করে। তাছাড়া এই গাছগুলি আমাদের ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি করে৷ কিন্তু এই গাছগুলি কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে পুড়ে গেছে। আমরা চাই সামনে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তবে কেউ ইচ্ছে করে করেননি, বরং সচেতনতার অভাব।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু হলের উপ-রেজিস্টার ফারুক হোসেন বলেন, ‘এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। যে কাজটা করেছে সে একটু মানসিক ভারসাম্যহীন। পানি দেওয়ার পর যদি গাছগুলো বাঁচানো সম্ভব না হয় তাহলে একই জায়গায় নতুন করে গাছ লাগানো হবে। দ্রুত বিকল্প উপায় বের করছি’।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর প্রতিটি গাছের গোঁড়ায় পানি দিতে বলেছি। টানা তিনদিন গাছের গোঁড়ায় পানি দেওয়ার পর যদি গাছগুলো বাঁচানো সম্ভব না হয় তাহলে একই জায়গায় নতুন করে গাছ লাগানো হবে।

সহকারী প্রক্টর ড. আমজাদ হোসেন বলেন, পুড়ে যাওয়া গাছগুলোর গোড়ায় তিন দিন পর্যন্ত পানি দিতে বলেছি। এরপরও যদি গাছগুলো মরে যায় তাহলে নতুন গাছ লাগাতে বলেছি। আমরা ক্যাম্পাসের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে প্রস্তুত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইবিতে আবর্জনা পোড়াতে গিয়ে পুড়লো একাধিক গাছ।

আপলোড সময় : ০৯:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আবর্জনা পোড়াতে গিয়ে ২০টিরও অধিক গাছ আগুনে পুড়ে গেছে। গত মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনের রাস্তার পাশে এ ঘটনা ঘটে।

আবর্জনার স্তুপে আগুন দেওয়া পরিচ্ছন্নতাকর্মী সত্য রায় জানান, মঙ্গলবার দুপুরে হলের সামনে পুকুরের ধারে আবর্জনার স্তুপে আগুন দেন তিনি। আগুন লাগানোর পর তিনি সেখান থেকে চলে যান। পরবর্তীতে বাতাসের সাথে আগুন চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, আগুনে রাস্তার ধারে সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য লাগানো দেবদারু, লেবু ও অন্যান্য গাছ মিলে ২০ টিরও অধিক গাছ পুড়ে গেছে। ইতোমধ্যে পোড়া গাছগুলোর পাতা ঝরতে শুরু করেছে। এছাড়া ভেতরের দিকে বড় গাছগুলোর উপরের পাতাগুলো না পুড়লেও গাছগুলোর গোড়ায় পোড়ার দাগ স্পষ্ট। এদিকে তীব্র গরমে গাছের সজীবতা হারাচ্ছে অন্যদিকে একাধিক গাছের গোড়ায় দগ্ধের চিহ্ন।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, গাছ আমাদের ফল, ফুল ও ছায়া দিয়ে সহযোগিতা করে। তাছাড়া এই গাছগুলি আমাদের ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি করে৷ কিন্তু এই গাছগুলি কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে পুড়ে গেছে। আমরা চাই সামনে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তবে কেউ ইচ্ছে করে করেননি, বরং সচেতনতার অভাব।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু হলের উপ-রেজিস্টার ফারুক হোসেন বলেন, ‘এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। যে কাজটা করেছে সে একটু মানসিক ভারসাম্যহীন। পানি দেওয়ার পর যদি গাছগুলো বাঁচানো সম্ভব না হয় তাহলে একই জায়গায় নতুন করে গাছ লাগানো হবে। দ্রুত বিকল্প উপায় বের করছি’।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর প্রতিটি গাছের গোঁড়ায় পানি দিতে বলেছি। টানা তিনদিন গাছের গোঁড়ায় পানি দেওয়ার পর যদি গাছগুলো বাঁচানো সম্ভব না হয় তাহলে একই জায়গায় নতুন করে গাছ লাগানো হবে।

সহকারী প্রক্টর ড. আমজাদ হোসেন বলেন, পুড়ে যাওয়া গাছগুলোর গোড়ায় তিন দিন পর্যন্ত পানি দিতে বলেছি। এরপরও যদি গাছগুলো মরে যায় তাহলে নতুন গাছ লাগাতে বলেছি। আমরা ক্যাম্পাসের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে প্রস্তুত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন