ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিদ্ধিরগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগ মামুন গংদের বিরুদ্ধে

ইসমাইল হোসেন মিলন (সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি)
ইসমাইল হোসেন মিলন (সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি)
  • আপলোড সময় : ১১:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪
  • / ৪০০ বার পড়া হয়েছে

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিদ্ধিরগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল করে নির্মাণ কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে ভূমিদস্যু আবদুল্লাহ আল মামুন গংদের বিরুদ্ধে।
শনিবার (১১ মে) বিকেলে ঘটনাস্থলে নাসিক ১ নং ওয়ার্ডের মিজমিজি পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় অভিযুক্তরা বাউন্ডারি আকারে জমির চতুর্পাশে টিনের বেড়া দিয়ে ভিতরে নির্মান কাজ করছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ এ ঘটনায় আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন থাকা সত্বেও থানা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আদালত কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বীরদর্পে উক্ত জমিতে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন অভিযুক্তরা।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে ভূমিদস্যু হাসানুল হক বান্না (৫২), তার ভাই মাহমুদুল হাসান (৪৪), ছিদ্দিকুর রহমান মুন্সীর ছেলে আক্তার হোসেন (৪৫), মৃত হাসি মিয়ার ছেলে মো: মনির হোসেন (৪৭), নুরুল ইসলামের ছেলে মো: আলী আকবর বাদল (৪০) ও মৃত দুলাল ভুইয়ার ছেলে কামাল (৬৫)।
ভুক্তভোগী জানান, ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী সামসুন নাহার ও অভিযুক্ত আবদুল্লাহ আল মামুন গংদের সাথে বিরোধ চলছে। সম্পত্তির মালিকানা পেতে ভুক্তভোগী নারায়ণগঞ্জ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর বিজ্ঞ আদালত অত্র মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা যেনো বেআইনি ও অবৈধভাবে নালিশা ভূমি অন্যত্র বেচাবিক্রি এবং নালিশা ভূমি হতে ভুক্তভোগীদের বেদখল করিতে না পারে, শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য আদালত একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
ভুক্তভোগী আরও জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বীরদর্পে অভিযুক্তরা তাদের নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ও মামলা চলমান রয়েছে। ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে রাজি হয় না। আমরা পুলিশকে জানালে পুলিশ বিষয়টি আমলে নেয়নি। ন্যায় বিচার পেতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উর্ধতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন ভুক্তভোগীরা।
বিষয়টি জানতে অভিযুক্ত মনিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তা অস্বীকার করে
মুঠোফোনে জানান, উক্ত জমিতে আমরা কোন কাজ করছি না। ওনি (বাদী) মামলা হেরে গিয়ে এসব কথা বলছে। এ জমিতে আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞা নাই বলে জানান তিনি।
অন্য অভিযুক্ত ভূমিদস্যু আক্তারের সাথে যোগাযোগের জন্য একাধিক ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিদ্ধিরগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগ মামুন গংদের বিরুদ্ধে

আপলোড সময় : ১১:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিদ্ধিরগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল করে নির্মাণ কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে ভূমিদস্যু আবদুল্লাহ আল মামুন গংদের বিরুদ্ধে।
শনিবার (১১ মে) বিকেলে ঘটনাস্থলে নাসিক ১ নং ওয়ার্ডের মিজমিজি পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় অভিযুক্তরা বাউন্ডারি আকারে জমির চতুর্পাশে টিনের বেড়া দিয়ে ভিতরে নির্মান কাজ করছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ এ ঘটনায় আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন থাকা সত্বেও থানা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আদালত কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বীরদর্পে উক্ত জমিতে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন অভিযুক্তরা।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে ভূমিদস্যু হাসানুল হক বান্না (৫২), তার ভাই মাহমুদুল হাসান (৪৪), ছিদ্দিকুর রহমান মুন্সীর ছেলে আক্তার হোসেন (৪৫), মৃত হাসি মিয়ার ছেলে মো: মনির হোসেন (৪৭), নুরুল ইসলামের ছেলে মো: আলী আকবর বাদল (৪০) ও মৃত দুলাল ভুইয়ার ছেলে কামাল (৬৫)।
ভুক্তভোগী জানান, ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী সামসুন নাহার ও অভিযুক্ত আবদুল্লাহ আল মামুন গংদের সাথে বিরোধ চলছে। সম্পত্তির মালিকানা পেতে ভুক্তভোগী নারায়ণগঞ্জ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর বিজ্ঞ আদালত অত্র মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা যেনো বেআইনি ও অবৈধভাবে নালিশা ভূমি অন্যত্র বেচাবিক্রি এবং নালিশা ভূমি হতে ভুক্তভোগীদের বেদখল করিতে না পারে, শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য আদালত একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
ভুক্তভোগী আরও জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বীরদর্পে অভিযুক্তরা তাদের নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ও মামলা চলমান রয়েছে। ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে রাজি হয় না। আমরা পুলিশকে জানালে পুলিশ বিষয়টি আমলে নেয়নি। ন্যায় বিচার পেতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উর্ধতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন ভুক্তভোগীরা।
বিষয়টি জানতে অভিযুক্ত মনিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তা অস্বীকার করে
মুঠোফোনে জানান, উক্ত জমিতে আমরা কোন কাজ করছি না। ওনি (বাদী) মামলা হেরে গিয়ে এসব কথা বলছে। এ জমিতে আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞা নাই বলে জানান তিনি।
অন্য অভিযুক্ত ভূমিদস্যু আক্তারের সাথে যোগাযোগের জন্য একাধিক ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন