ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাদক,সন্ত্রাস,ফুটপাত ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে ডেমরা থানার ওসি জহিরুল ইসলাম

মোঃ সালে আহমেদ (নিজস্ব প্রতিবেদক)
মোঃ সালে আহমেদ (নিজস্ব প্রতিবেদক)
  • আপলোড সময় : ০৩:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪
  • / ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে

মাদক,সন্ত্রাস,কিশোর গ্যাং,ফুটপাত অবৈধভাবে দখল ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে ডেমরা থানা পুলিশ প্রশাসন। কয়েক মাসের মাথায় ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ‘জহিরুল ইসলাম’ যোগদানের পর অনেকটা পাল্টে গেছে ডেমরা থানা এলাকার চিত্র। কমেছে সন্ত্রাস,, মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, বাল্যবিবাহ,ফুটপাত দখল,অটোরিকসার ভাড়া নৈরাজ্য, কিশোর অপরাধসহ নানা ধরনের অপরাধ। বেড়েছে সেবার মান। সেইসঙ্গে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও বেড়েছে।সহসাই যে কেউ বিনা অনুমতিতে চাইলেই যেতে পারে অফিসার ইনচার্জের রুমে।সহসাই বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবে নিতে পারে পুলিশি সেবা।

ডেমরা থানা পুলিশ এখন জনতাই পুলিশ, পুলিশ ই জনতা এই স্লোগানকে সামনে রেখে নিরলসভাবে নিরবিচ্ছিন্ন ডেমরা বাসীকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। নবাগত ওসি যোগদানের পরই পাল্টে গেছে থানার পরিবেশগত চিত্র। ফুলে ফুলে আচ্ছাদিত সবুজে সমারোহ। পাখ পাখালি মুগ্ধতার ছোঁয়া থানার ভিতরে পাচ্ছে সেবাপ্রত্যাশীরা ও।

নতুনভাবে আগমন ও নতুনত্ব সৃষ্টি করে যাচ্ছেন ডেমরা থানার ওসি জহিরুল ইসলাম। ডেমরার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মানুষের চলাচল নিবিঘ্নে করতে অবৈধ দখলদারির বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা পালন করছেন।ফুটপাতের প্রতিবন্ধকতাকারীদের বিরুদ্ধে ও নিচ্ছেন কঠোর পদক্ষেপ। নীতির প্রশ্নে সবসময়ই আপোষহীন। ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার, বড়ভাঙ্গা থেকে শুরু করে কোনাপাড়া সড়কের ফুটপাত উচ্ছেদে ব্যাপক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে ও কর্মগুনে সফল হয়েছেন ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আর এরজন্য পেয়েছেন সকলের বাহবা।

বড়ভাঙ্গার বাসিন্দা আলী হোসেন জানান,রাস্তায় চলাচলে এখন আর অসুবিধা হয় না।ডেমরা থানার বর্তমান পুলিশ প্রশাসন সোচ্চার।

কোনাপাড়া সড়কে বাইক আরোহী নূর মোহাম্মদ নোমান বলেন,এই সড়কে আগে চলাচলে অনেক কষ্ট হতো।দীর্ঘসময় জ্যাম ও ফুটপাতের ভাসমান গাড়ি রাখার ফলে বিলম্ব হতো বাইক চালাতে।এসময় তিনি পুলিশের উধ্ধতন কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সানারপাড়ের বাসিন্দা ও কুয়েত প্রবাসী দ্বীন ইসলাম মিন্টু বলেন,একটা বিষয়ে ডেমরা থানায় গিয়েছিলাম। সহসাই দেখলাম বর্তমান ওসি আমাদের সেবা দিয়ে আপন করে নিলেন।তার পরমতসহিষ্ণুতা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে গেছি আমরা।

ফুটপাত উচ্ছেদের বিষয়ে কোনাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ সোহেল রানার সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আমাদের সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম স্যারের নির্দেশে শতভাগ ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।স্যার আমাদের সবসময়ই সার্পোট দিয়েছেন।

ডেমরা থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন,, বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজিসহ যে কোনো ধরনের অবৈধ অর্থ আমি কখনো গ্রহণ করিনি, কোনোদিন করবো না।সবসময় হালাল আয়ের পয়সা দিয়ে পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে চাই। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের সম্মানিত ডিসি মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শে অত্র অঞ্চলের শতভাগ মানুষকে সেবা দিয়ে যাবো।আমার থানাতে কাউকে আসলে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ করবো না।যেই সেবা নিতে আসুক তার প্রাপ্য সেবাটুকু তাকে দেওয়ার চেষ্টা করবো।মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা যাতে মানুষের পরিপূর্ণ সেবা দিয়ে সঠিক দায়িত্বটা পালন করতে পারি।অন্যায়ের সঙ্গে আপোসও করবো না। যেখানেই অপরাধ সংগঠিত হবে সেখানেই আইন প্রয়োগ করে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবহন সেক্টরে ও ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে চালকদের সাথে ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত বৈঠক করছেন।
আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই অপরাধীরা অপরাধ ছাড়ুন, না হয় এলাকা ছাড়ুন।

সরেজমিনে দেখা যায়, একজন সেবা প্রার্থী ওসি কক্ষে প্রবেশ করতে অনুমতি চাইলে ওসি বলেন, আমি আপনাদের সেবক। ভেতরে আসতে অনুমতির প্রয়োজন নেই, ভেতরে আসুন।

ডেমরা থানায় ওসি জহিরুল ইসলাম যোগদানের পর সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করছেন। সব শ্রেণি পেশার মানুষকে পুলিশের সেবার আওতায় এনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সব অপরাধীদের জিরো টলারেন্স নীতির অনুসরণ করে বিভিন্ন অপারেশন পরিচালনা করে মাদক কারবারিসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করেছেন।পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সকল ধরনের অভিযোগ ও তিনি প্রতিকারের চেষ্টা করেন।তিনি তার সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও তার বিচক্ষণ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখল বাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাদক,সন্ত্রাস,ফুটপাত ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে ডেমরা থানার ওসি জহিরুল ইসলাম

আপলোড সময় : ০৩:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

মাদক,সন্ত্রাস,কিশোর গ্যাং,ফুটপাত অবৈধভাবে দখল ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে ডেমরা থানা পুলিশ প্রশাসন। কয়েক মাসের মাথায় ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ‘জহিরুল ইসলাম’ যোগদানের পর অনেকটা পাল্টে গেছে ডেমরা থানা এলাকার চিত্র। কমেছে সন্ত্রাস,, মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, বাল্যবিবাহ,ফুটপাত দখল,অটোরিকসার ভাড়া নৈরাজ্য, কিশোর অপরাধসহ নানা ধরনের অপরাধ। বেড়েছে সেবার মান। সেইসঙ্গে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও বেড়েছে।সহসাই যে কেউ বিনা অনুমতিতে চাইলেই যেতে পারে অফিসার ইনচার্জের রুমে।সহসাই বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবে নিতে পারে পুলিশি সেবা।

ডেমরা থানা পুলিশ এখন জনতাই পুলিশ, পুলিশ ই জনতা এই স্লোগানকে সামনে রেখে নিরলসভাবে নিরবিচ্ছিন্ন ডেমরা বাসীকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। নবাগত ওসি যোগদানের পরই পাল্টে গেছে থানার পরিবেশগত চিত্র। ফুলে ফুলে আচ্ছাদিত সবুজে সমারোহ। পাখ পাখালি মুগ্ধতার ছোঁয়া থানার ভিতরে পাচ্ছে সেবাপ্রত্যাশীরা ও।

নতুনভাবে আগমন ও নতুনত্ব সৃষ্টি করে যাচ্ছেন ডেমরা থানার ওসি জহিরুল ইসলাম। ডেমরার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মানুষের চলাচল নিবিঘ্নে করতে অবৈধ দখলদারির বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা পালন করছেন।ফুটপাতের প্রতিবন্ধকতাকারীদের বিরুদ্ধে ও নিচ্ছেন কঠোর পদক্ষেপ। নীতির প্রশ্নে সবসময়ই আপোষহীন। ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার, বড়ভাঙ্গা থেকে শুরু করে কোনাপাড়া সড়কের ফুটপাত উচ্ছেদে ব্যাপক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে ও কর্মগুনে সফল হয়েছেন ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আর এরজন্য পেয়েছেন সকলের বাহবা।

বড়ভাঙ্গার বাসিন্দা আলী হোসেন জানান,রাস্তায় চলাচলে এখন আর অসুবিধা হয় না।ডেমরা থানার বর্তমান পুলিশ প্রশাসন সোচ্চার।

কোনাপাড়া সড়কে বাইক আরোহী নূর মোহাম্মদ নোমান বলেন,এই সড়কে আগে চলাচলে অনেক কষ্ট হতো।দীর্ঘসময় জ্যাম ও ফুটপাতের ভাসমান গাড়ি রাখার ফলে বিলম্ব হতো বাইক চালাতে।এসময় তিনি পুলিশের উধ্ধতন কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সানারপাড়ের বাসিন্দা ও কুয়েত প্রবাসী দ্বীন ইসলাম মিন্টু বলেন,একটা বিষয়ে ডেমরা থানায় গিয়েছিলাম। সহসাই দেখলাম বর্তমান ওসি আমাদের সেবা দিয়ে আপন করে নিলেন।তার পরমতসহিষ্ণুতা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে গেছি আমরা।

ফুটপাত উচ্ছেদের বিষয়ে কোনাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ সোহেল রানার সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আমাদের সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম স্যারের নির্দেশে শতভাগ ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।স্যার আমাদের সবসময়ই সার্পোট দিয়েছেন।

ডেমরা থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন,, বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজিসহ যে কোনো ধরনের অবৈধ অর্থ আমি কখনো গ্রহণ করিনি, কোনোদিন করবো না।সবসময় হালাল আয়ের পয়সা দিয়ে পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে চাই। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের সম্মানিত ডিসি মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শে অত্র অঞ্চলের শতভাগ মানুষকে সেবা দিয়ে যাবো।আমার থানাতে কাউকে আসলে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ করবো না।যেই সেবা নিতে আসুক তার প্রাপ্য সেবাটুকু তাকে দেওয়ার চেষ্টা করবো।মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা যাতে মানুষের পরিপূর্ণ সেবা দিয়ে সঠিক দায়িত্বটা পালন করতে পারি।অন্যায়ের সঙ্গে আপোসও করবো না। যেখানেই অপরাধ সংগঠিত হবে সেখানেই আইন প্রয়োগ করে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবহন সেক্টরে ও ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে চালকদের সাথে ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত বৈঠক করছেন।
আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই অপরাধীরা অপরাধ ছাড়ুন, না হয় এলাকা ছাড়ুন।

সরেজমিনে দেখা যায়, একজন সেবা প্রার্থী ওসি কক্ষে প্রবেশ করতে অনুমতি চাইলে ওসি বলেন, আমি আপনাদের সেবক। ভেতরে আসতে অনুমতির প্রয়োজন নেই, ভেতরে আসুন।

ডেমরা থানায় ওসি জহিরুল ইসলাম যোগদানের পর সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করছেন। সব শ্রেণি পেশার মানুষকে পুলিশের সেবার আওতায় এনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সব অপরাধীদের জিরো টলারেন্স নীতির অনুসরণ করে বিভিন্ন অপারেশন পরিচালনা করে মাদক কারবারিসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করেছেন।পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সকল ধরনের অভিযোগ ও তিনি প্রতিকারের চেষ্টা করেন।তিনি তার সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও তার বিচক্ষণ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখল বাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন