ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় জবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসলাম

রাকিবুল হাসান রাকিব (ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
রাকিবুল হাসান রাকিব (ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
  • আপলোড সময় : ০৭:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৯৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান আসলাম।

দীর্ঘদিনের ছাত্ররাজনীতি, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এবং সংগঠনের দুঃসময়ে মাঠে থাকার কারণে তৃণমূলের একাংশের কাছে তাঁর নাম গুরুত্ব পাচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দলীয় সূত্র বলছে, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর বিভিন্ন ইউনিটে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের আলোচনা চলছে। গত ৯ মে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ও বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ৯০০ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পর থেকেই ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে পরিবর্তনের আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনায় কয়েকজন তরুণ ও মাঠপর্যায়ের নেতার নাম রয়েছে। তাঁদের মধ্যে আসাদুজ্জামান আসলামও রয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তার কারণে তাঁর প্রতি তাঁদের আগ্রহ রয়েছে।

আসলাম ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে নিজের খরচ চালাতেন। পরে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, তাঁর নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় ছিল। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের রাজনৈতিক সহিংসতার পর বিরোধী ছাত্ররাজনীতির কার্যক্রম অনেকটা সীমিত হয়ে পড়লেও ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কার্যক্রম অব্যাহত ছিল বলে তাঁরা জানান। পরে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানেও সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি ছিল।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সিএমএম আদালত ঘেরাও কর্মসূচিতেও আসলামের নেতৃত্বে জবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ ছিল। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পুরান ঢাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সময় হামলা ও মামলার মুখোমুখি হওয়ার কথাও জানিয়েছেন আসলাম।

দলীয় সূত্রের ভাষ্য, ছাত্রলীগের হামলা, পুলিশের লাঠিচার্জ এবং গুলিবিদ্ধ হওয়ার মতো ঘটনাও তাঁর রাজনৈতিক জীবনে ঘটেছে। সর্বশেষ তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, “ছাত্রদলের চরম দুঃসময়ে আসলাম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে তাঁর অবদান ছিল। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তাঁর মেধা, সততা ও বিনয় তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, “আসলামের মতো বিনয়ী ও অমায়িক ছাত্রনেতা সমসাময়িক রাজনীতিতে বিরল। একাধারে মেধাবী ও পরিশ্রমী এই তরুণের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি রয়েছে। ছাত্ররাজনীতি করার পাশাপাশি তিনি টিউশনি করতেন, যা তরুণদের জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, “আসলাম অত্যন্ত ভদ্র, মানবিক ও মিশুক একজন মানুষ। একজন ছাত্রনেতার মধ্যে যে গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তাঁর মধ্যে তার অনেকটাই রয়েছে। তিনি শিক্ষিত, মার্জিত এবং শিষ্টাচারসম্পন্ন। ছোটদের প্রতি স্নেহ ও বড়দের প্রতি সম্মান দেখানোর বিষয়েও তিনি অনুসরণীয়।”

তিনি আরও বলেন, “নেতা হিসেবে তিনি একটি রোল মডেল ছিলেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তিনি একজন মূল্যবান সম্পদ ছিলেন। ভবিষ্যতে এমন মানবিক, শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দেশ ও সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি পদে নিজের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আসাদুজ্জামান আসলাম বলেন, “আমি পদকে লক্ষ্য হিসেবে দেখি না। সংগঠনের জন্য কাজ করাটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে শরীরের ওপরও এর প্রভাব পড়েছে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে। এখনো চিকিৎসা চলছে। অসংখ্যবার হামলা-মামলার শিকার হয়েছি।”

তিনি বলেন, “এখন দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দল যদি আমাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়ার উপযুক্ত মনে করে, তাহলে সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

আসলাম আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির সময় যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, তা কাজে লাগিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও নেতাকর্মীবান্ধব করার চেষ্টা থাকবে। তরুণদের সংগঠিত করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার দিকেও গুরুত্ব দিতে চাই।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় জবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসলাম

আপলোড সময় : ০৭:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান আসলাম।

দীর্ঘদিনের ছাত্ররাজনীতি, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এবং সংগঠনের দুঃসময়ে মাঠে থাকার কারণে তৃণমূলের একাংশের কাছে তাঁর নাম গুরুত্ব পাচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দলীয় সূত্র বলছে, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর বিভিন্ন ইউনিটে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের আলোচনা চলছে। গত ৯ মে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ও বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ৯০০ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পর থেকেই ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে পরিবর্তনের আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনায় কয়েকজন তরুণ ও মাঠপর্যায়ের নেতার নাম রয়েছে। তাঁদের মধ্যে আসাদুজ্জামান আসলামও রয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তার কারণে তাঁর প্রতি তাঁদের আগ্রহ রয়েছে।

আসলাম ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে নিজের খরচ চালাতেন। পরে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, তাঁর নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় ছিল। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের রাজনৈতিক সহিংসতার পর বিরোধী ছাত্ররাজনীতির কার্যক্রম অনেকটা সীমিত হয়ে পড়লেও ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কার্যক্রম অব্যাহত ছিল বলে তাঁরা জানান। পরে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানেও সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি ছিল।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সিএমএম আদালত ঘেরাও কর্মসূচিতেও আসলামের নেতৃত্বে জবি ছাত্রদলের অংশগ্রহণ ছিল। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পুরান ঢাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সময় হামলা ও মামলার মুখোমুখি হওয়ার কথাও জানিয়েছেন আসলাম।

দলীয় সূত্রের ভাষ্য, ছাত্রলীগের হামলা, পুলিশের লাঠিচার্জ এবং গুলিবিদ্ধ হওয়ার মতো ঘটনাও তাঁর রাজনৈতিক জীবনে ঘটেছে। সর্বশেষ তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, “ছাত্রদলের চরম দুঃসময়ে আসলাম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে তাঁর অবদান ছিল। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তাঁর মেধা, সততা ও বিনয় তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, “আসলামের মতো বিনয়ী ও অমায়িক ছাত্রনেতা সমসাময়িক রাজনীতিতে বিরল। একাধারে মেধাবী ও পরিশ্রমী এই তরুণের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি রয়েছে। ছাত্ররাজনীতি করার পাশাপাশি তিনি টিউশনি করতেন, যা তরুণদের জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, “আসলাম অত্যন্ত ভদ্র, মানবিক ও মিশুক একজন মানুষ। একজন ছাত্রনেতার মধ্যে যে গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তাঁর মধ্যে তার অনেকটাই রয়েছে। তিনি শিক্ষিত, মার্জিত এবং শিষ্টাচারসম্পন্ন। ছোটদের প্রতি স্নেহ ও বড়দের প্রতি সম্মান দেখানোর বিষয়েও তিনি অনুসরণীয়।”

তিনি আরও বলেন, “নেতা হিসেবে তিনি একটি রোল মডেল ছিলেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তিনি একজন মূল্যবান সম্পদ ছিলেন। ভবিষ্যতে এমন মানবিক, শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দেশ ও সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি পদে নিজের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আসাদুজ্জামান আসলাম বলেন, “আমি পদকে লক্ষ্য হিসেবে দেখি না। সংগঠনের জন্য কাজ করাটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে শরীরের ওপরও এর প্রভাব পড়েছে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে। এখনো চিকিৎসা চলছে। অসংখ্যবার হামলা-মামলার শিকার হয়েছি।”

তিনি বলেন, “এখন দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দল যদি আমাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়ার উপযুক্ত মনে করে, তাহলে সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

আসলাম আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির সময় যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, তা কাজে লাগিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও নেতাকর্মীবান্ধব করার চেষ্টা থাকবে। তরুণদের সংগঠিত করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার দিকেও গুরুত্ব দিতে চাই।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন