ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব ফুসফুস দিবস: ফুসফুসের স্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতনতা জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১১:০১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০২ বার পড়া হয়েছে

আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব ফুসফুস দিবস পালিত হচ্ছে। এই দিবসটি ফুসফুসের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতি বছর উদযাপন করা হয়। ফুসফুস শরীরে অক্সিজেন পৌঁছানোর এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে, যা আমাদের প্রতিদিনের জীবনের জন্য অপরিহার্য।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৬ সালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দীর্ঘস্থায়ী বাধাজনিত ফুসফুসের রোগ (সিওপিডি) প্রায় ৩৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর সঙ্গে যুক্ত ছিল। একই সময়ে হাঁপানিতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল আনুমানিক ৩৬ কোটি ৩০ লাখ এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৪২ হাজার মানুষের।

ফুসফুসের ক্ষতির অন্যতম বড় কারণ ধূমপান। সিগারেট, বিড়ি, চুরুট বা হুক্কার ধোঁয়া গ্রহণ করলে সিওপিডি, দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কাইটিস, এমফিসেমা ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া যানবাহনের ধোঁয়া, শিল্পকারখানার নির্গমন এবং আবর্জনা পোড়ানোর ধোঁয়াও শ্বাসতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ফুসফুসের রোগের লক্ষণ হিসেবে দীর্ঘদিন কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুক ভার লাগা এবং ঘন ঘন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য। এসব লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ফুসফুসের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক।

ফুসফুসের যত্ন নেওয়া একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ধোঁয়ামুক্ত বাতাস, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করা আমাদের শ্বাসকে আরও নিরাপদ করে তুলতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১

বিশ্ব ফুসফুস দিবস: ফুসফুসের স্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতনতা জরুরি

আপলোড সময় : ১১:০১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব ফুসফুস দিবস পালিত হচ্ছে। এই দিবসটি ফুসফুসের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতি বছর উদযাপন করা হয়। ফুসফুস শরীরে অক্সিজেন পৌঁছানোর এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে, যা আমাদের প্রতিদিনের জীবনের জন্য অপরিহার্য।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৬ সালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দীর্ঘস্থায়ী বাধাজনিত ফুসফুসের রোগ (সিওপিডি) প্রায় ৩৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর সঙ্গে যুক্ত ছিল। একই সময়ে হাঁপানিতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল আনুমানিক ৩৬ কোটি ৩০ লাখ এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৪২ হাজার মানুষের।

ফুসফুসের ক্ষতির অন্যতম বড় কারণ ধূমপান। সিগারেট, বিড়ি, চুরুট বা হুক্কার ধোঁয়া গ্রহণ করলে সিওপিডি, দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কাইটিস, এমফিসেমা ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া যানবাহনের ধোঁয়া, শিল্পকারখানার নির্গমন এবং আবর্জনা পোড়ানোর ধোঁয়াও শ্বাসতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ফুসফুসের রোগের লক্ষণ হিসেবে দীর্ঘদিন কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুক ভার লাগা এবং ঘন ঘন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য। এসব লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ফুসফুসের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক।

ফুসফুসের যত্ন নেওয়া একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ধোঁয়ামুক্ত বাতাস, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করা আমাদের শ্বাসকে আরও নিরাপদ করে তুলতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন