ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের নদী অববাহিকায় বন্যার আশঙ্কা, এফএফডব্লিউসির পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০১:৩৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে বন্যার পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। এফএফডব্লিউসির নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান বলেছেন, জলবায়ুগত কারণে এই সময়ে বন্যার ঝুঁকি থাকে।

ঐতিহাসিকভাবে, বর্ষা মৌসুমের এই সময়েই দেশে ভয়াবহ বন্যা ঘটে। ১৯৮৮ সালে, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে অতিবৃষ্টির ফলে ৮২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং ৩০ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পানির উচ্চপ্রবাহ একসঙ্গে দেখা দেওয়াই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। ২০০৪ সালে এই দুই নদীর পানির মিলিত প্রবাহে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। ২০২২ ও ২০২৪ সালের বন্যায় ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন।

বর্তমানে, এফএফডব্লিউসি দেশের অভ্যন্তরীণ নদী অববাহিকার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই বন্যার পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। তবে উপকূলীয় নদীগুলোর ক্ষেত্রে তিনদিন আগে পূর্বাভাস দেওয়া যায়। সারদার উদয় রায়হান জানান, ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।

এফএফডব্লিউসি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে, তবে আগামী চার দিনে পানির স্তর বৃদ্ধি পেতে পারে। কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় সতর্কসীমায় পানি প্রবাহিত হতে পারে, যা নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি করছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের নদী অববাহিকায় বন্যার আশঙ্কা, এফএফডব্লিউসির পূর্বাভাস

আপলোড সময় : ০১:৩৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে বন্যার পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। এফএফডব্লিউসির নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান বলেছেন, জলবায়ুগত কারণে এই সময়ে বন্যার ঝুঁকি থাকে।

ঐতিহাসিকভাবে, বর্ষা মৌসুমের এই সময়েই দেশে ভয়াবহ বন্যা ঘটে। ১৯৮৮ সালে, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে অতিবৃষ্টির ফলে ৮২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং ৩০ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পানির উচ্চপ্রবাহ একসঙ্গে দেখা দেওয়াই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। ২০০৪ সালে এই দুই নদীর পানির মিলিত প্রবাহে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। ২০২২ ও ২০২৪ সালের বন্যায় ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন।

বর্তমানে, এফএফডব্লিউসি দেশের অভ্যন্তরীণ নদী অববাহিকার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই বন্যার পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। তবে উপকূলীয় নদীগুলোর ক্ষেত্রে তিনদিন আগে পূর্বাভাস দেওয়া যায়। সারদার উদয় রায়হান জানান, ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।

এফএফডব্লিউসি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে, তবে আগামী চার দিনে পানির স্তর বৃদ্ধি পেতে পারে। কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় সতর্কসীমায় পানি প্রবাহিত হতে পারে, যা নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি করছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন