ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেবিদ্বারে রাস্তা প্রশস্ত করতে ১৩ গাছ কাটার অভিযোগ, থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৪:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ব্যক্তিগত রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য প্রতিবেশীর অনুমতি ছাড়াই ১৩টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান মিয়া দেবিদ্বার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের ময়নাল দারোগার বাড়িতে গিয়ে গাছ কাটার বিষয়টি জানা যায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, শাহজাহান ঢাকায় অবস্থানকালে প্রতিবেশী মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক তার জায়গায় থাকা ১৩টি গাছ কেটে ফেলেন। গাছগুলোর মধ্যে ছয়টি নারিকেল ও একটি সুপারি গাছ রয়েছে।

শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে এবং অনুমতি ছাড়াই জোর করে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। এসব গাছ আমার বাবার লাগানো ছিল এবং তার সঙ্গে স্মৃতি জড়িয়ে ছিল। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছি।’

অন্যদিকে, মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি অসুস্থ। শাহজাহানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তার ভাইয়ের অনুমতি নিয়ে কয়েকটি গাছ কাটা হয়েছে। আমার ছেলেরা ক্ষমা চেয়েছে।’ আব্দুর রাজ্জাকও একই দাবি করেন এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘জমির মালিককে না জানিয়ে গাছ কাটা ঠিক হয়নি। তবে রাস্তা প্রশস্ত করার প্রয়োজন রয়েছে।’ দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি পারিবারিক এবং স্থানীয়রা মীমাংসার চেষ্টা করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেবিদ্বারে রাস্তা প্রশস্ত করতে ১৩ গাছ কাটার অভিযোগ, থানায় মামলা

আপলোড সময় : ০৪:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ব্যক্তিগত রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য প্রতিবেশীর অনুমতি ছাড়াই ১৩টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান মিয়া দেবিদ্বার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের ময়নাল দারোগার বাড়িতে গিয়ে গাছ কাটার বিষয়টি জানা যায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, শাহজাহান ঢাকায় অবস্থানকালে প্রতিবেশী মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক তার জায়গায় থাকা ১৩টি গাছ কেটে ফেলেন। গাছগুলোর মধ্যে ছয়টি নারিকেল ও একটি সুপারি গাছ রয়েছে।

শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে এবং অনুমতি ছাড়াই জোর করে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। এসব গাছ আমার বাবার লাগানো ছিল এবং তার সঙ্গে স্মৃতি জড়িয়ে ছিল। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছি।’

অন্যদিকে, মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি অসুস্থ। শাহজাহানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তার ভাইয়ের অনুমতি নিয়ে কয়েকটি গাছ কাটা হয়েছে। আমার ছেলেরা ক্ষমা চেয়েছে।’ আব্দুর রাজ্জাকও একই দাবি করেন এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘জমির মালিককে না জানিয়ে গাছ কাটা ঠিক হয়নি। তবে রাস্তা প্রশস্ত করার প্রয়োজন রয়েছে।’ দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি পারিবারিক এবং স্থানীয়রা মীমাংসার চেষ্টা করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন