ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেরানীগঞ্জে বিস্তীর্ণ মাঠে সরিষা ফুলের সমারোহ

মো: শাহিন (নিজস্ব প্রতিবেদক)
মো: শাহিন (নিজস্ব প্রতিবেদক)
  • আপলোড সময় : ০৬:১৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৪৩৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার কেরানীগঞ্জে মাঠের পর মাঠ চোখ ধাঁধানো হলুদ ফুলের সমাহার আর এ ফুলের মৌ-মৌ ঘ্রাণ ও মৌমাছির গুনগুন শব্দের নয়নাভিরাম চিরচেনা সেই অপূর্ব নৈসর্গিক দৃশ্য, যে কারোরই মনকে দোলা দেয়।চারদিকে হলুদ গালিচা বিছিয়ে যেন অপরুপ সাজে সেজেছে পল্লীর প্রকৃতি।এ দৃশ্য দেখতে বাড়ছে প্রকৃতি প্রেমিকদের আনাগোনা। শীতের সকালে শিশির ভেজা কুয়াশার চাদরে ঘেরা কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ন প্রতিটি মাঠ যেন হলুদ বর্ণে ঘেরা সপ্নিল পৃথিবী। প্রান্তর জুড়ে উঁকি দিচ্ছে শীতের শিশির ভেজা সরিষা ফুলের দোল খাওয়া গাছগুলো। সরিষার সবুজ গাছের হলুদ ফুল শীতের সোনাঝরা রোদে ঝিকিমিকি করছে। এ এক অপরুপ সৌন্দর্য। যেন প্রকৃতি কন্যা সেজেছে ‘গায়ে হলুদ বরণ সাজে’।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠে এখন শুধু সরিষা ফুলের হলুদ রঙের চোখ ধাঁধানো বর্ণিল সমারোহ।দুরন্ত শিশুরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ছুটোছুটি করছে। মাঠের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। মৌমাছির গুনগুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ আর প্রজাপতির এক ফুল থেকে আরেক ফুলে পদার্পন এ অপরুপ প্রাকৃৃতিক দৃশ্য সত্যিই যেন মনোমুগ্ধকর এক মূহুর্ত।

সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা ফয়সাল আহমেদ নামের এক দর্শনার্থী বলেন, হলুদে বিস্তৃর্ণ ভূমি কেরানীগঞ্জের মাঠ ঘাট । রাজধানীর অতি নিকটে কেরানীগঞ্জ এলেই গ্রামের পরিবেশ পাওয়া যায়।হলুদ সরিষার সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে,এখানকার মাঠ-ঘাট। যেকোনো পর্যটক আসলে তাদের অনেক ভালো লাগবে এই জায়গায় সৌন্দর্য্যে উপভোগ করতে।

কৃষক খোকন মিয়া জানান, সরিষার গাছ ভালো হয়েছে। ভালো ফুল ফুটেছে বলে ভালো ফলনও আশা করা যায়। এ বছর অনেকেই আগাম সরিষা অবাদ করেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন আশা করা যায়।সরিষার ফুলে ফুলে হলুদ বর্ণের বর্ণিল জমিগুলোতে আশে পাশে দূর দূরান্ত থেকে স্কুল কলেজের সৌখিন প্রকৃতি প্রেমিকরা বেড়াতে আসছেন। তারা যেন সরিষার ফলনে ব্যাঘাত না ঘটায় পর্যটকদের কাছে এইটাই অনুরোধ।

এব্যাপারে কেরানীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া সারমিন মুনমুন বলেন, চলতি মৌসুমে কেরানীগঞ্জে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে কৃষি কর্মকর্তারা বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। যাতে কৃষকের কোনো সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে কেরানীগঞ্জে সরিষা চাষে কৃষকরা লাভবান হবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কেরানীগঞ্জে বিস্তীর্ণ মাঠে সরিষা ফুলের সমারোহ

আপলোড সময় : ০৬:১৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩

ঢাকার কেরানীগঞ্জে মাঠের পর মাঠ চোখ ধাঁধানো হলুদ ফুলের সমাহার আর এ ফুলের মৌ-মৌ ঘ্রাণ ও মৌমাছির গুনগুন শব্দের নয়নাভিরাম চিরচেনা সেই অপূর্ব নৈসর্গিক দৃশ্য, যে কারোরই মনকে দোলা দেয়।চারদিকে হলুদ গালিচা বিছিয়ে যেন অপরুপ সাজে সেজেছে পল্লীর প্রকৃতি।এ দৃশ্য দেখতে বাড়ছে প্রকৃতি প্রেমিকদের আনাগোনা। শীতের সকালে শিশির ভেজা কুয়াশার চাদরে ঘেরা কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ন প্রতিটি মাঠ যেন হলুদ বর্ণে ঘেরা সপ্নিল পৃথিবী। প্রান্তর জুড়ে উঁকি দিচ্ছে শীতের শিশির ভেজা সরিষা ফুলের দোল খাওয়া গাছগুলো। সরিষার সবুজ গাছের হলুদ ফুল শীতের সোনাঝরা রোদে ঝিকিমিকি করছে। এ এক অপরুপ সৌন্দর্য। যেন প্রকৃতি কন্যা সেজেছে ‘গায়ে হলুদ বরণ সাজে’।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠে এখন শুধু সরিষা ফুলের হলুদ রঙের চোখ ধাঁধানো বর্ণিল সমারোহ।দুরন্ত শিশুরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ছুটোছুটি করছে। মাঠের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। মৌমাছির গুনগুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ আর প্রজাপতির এক ফুল থেকে আরেক ফুলে পদার্পন এ অপরুপ প্রাকৃৃতিক দৃশ্য সত্যিই যেন মনোমুগ্ধকর এক মূহুর্ত।

সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা ফয়সাল আহমেদ নামের এক দর্শনার্থী বলেন, হলুদে বিস্তৃর্ণ ভূমি কেরানীগঞ্জের মাঠ ঘাট । রাজধানীর অতি নিকটে কেরানীগঞ্জ এলেই গ্রামের পরিবেশ পাওয়া যায়।হলুদ সরিষার সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে,এখানকার মাঠ-ঘাট। যেকোনো পর্যটক আসলে তাদের অনেক ভালো লাগবে এই জায়গায় সৌন্দর্য্যে উপভোগ করতে।

কৃষক খোকন মিয়া জানান, সরিষার গাছ ভালো হয়েছে। ভালো ফুল ফুটেছে বলে ভালো ফলনও আশা করা যায়। এ বছর অনেকেই আগাম সরিষা অবাদ করেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন আশা করা যায়।সরিষার ফুলে ফুলে হলুদ বর্ণের বর্ণিল জমিগুলোতে আশে পাশে দূর দূরান্ত থেকে স্কুল কলেজের সৌখিন প্রকৃতি প্রেমিকরা বেড়াতে আসছেন। তারা যেন সরিষার ফলনে ব্যাঘাত না ঘটায় পর্যটকদের কাছে এইটাই অনুরোধ।

এব্যাপারে কেরানীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া সারমিন মুনমুন বলেন, চলতি মৌসুমে কেরানীগঞ্জে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে কৃষি কর্মকর্তারা বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। যাতে কৃষকের কোনো সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে কেরানীগঞ্জে সরিষা চাষে কৃষকরা লাভবান হবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন