ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেরানীগঞ্জে রাজউকের উদ্যোগে মধুসিটিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান

মো: শাহিন (নিজস্ব প্রতিবেদক)
মো: শাহিন (নিজস্ব প্রতিবেদক)
  • আপলোড সময় : ০৮:১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪
  • / ২৬২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের মধুসিটিতে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। আজ বুধবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত মধুসিটি হাউজিং ও ভাওয়াল গার্ডেন এলাকায় নির্মাণাধীন অবৈধ ভবনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন আক্তার। তিনি জানান, অভিযান পরিচালনাকালে হাউজিং এর মালিক পক্ষ পালিয়ে যায়, যে কারণে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘন করে এই এলাকায় নির্মাণাধীন ৭টি ভবনের আংশিক অপসারণসহ ৩টি ভবনের মালিক নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখবেন এবং রাজউক এর অনুমোদন নিয়ে পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করবেন মর্মে মুচলেকা প্রদান করেন। কেরানীগঞ্জের বেশ কয়েকটি অনুমোদনহীন স্থাপনা রাজউক ভেঙে দিয়েছে৷ আমরা সেই ভবনগুলো ভেঙে দিয়েছি৷ কেরানীগঞ্জে খাল-নদী ভরাট করে কোনো ভবন নির্মাণ করা যাবে না৷

তিনি আরও বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষর অধীন এলাকায় হাউজিং কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য রাজউকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে৷

এসয় আরও উপস্থিত ছিলেন, অথরাইজড অফিসার সাঈদা ইসলাম, সহকারী অথরাইজড অফিসার মোঃ ইসমাইল হোসেন, প্রধান ইমারত পরিদর্শক সজল মজুমদার, ইমারত পরিদর্শক শুভ সাহা, মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম সহ রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কেরানীগঞ্জে রাজউকের উদ্যোগে মধুসিটিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান

আপলোড সময় : ০৮:১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

ঢাকার কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের মধুসিটিতে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। আজ বুধবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত মধুসিটি হাউজিং ও ভাওয়াল গার্ডেন এলাকায় নির্মাণাধীন অবৈধ ভবনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন আক্তার। তিনি জানান, অভিযান পরিচালনাকালে হাউজিং এর মালিক পক্ষ পালিয়ে যায়, যে কারণে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘন করে এই এলাকায় নির্মাণাধীন ৭টি ভবনের আংশিক অপসারণসহ ৩টি ভবনের মালিক নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখবেন এবং রাজউক এর অনুমোদন নিয়ে পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করবেন মর্মে মুচলেকা প্রদান করেন। কেরানীগঞ্জের বেশ কয়েকটি অনুমোদনহীন স্থাপনা রাজউক ভেঙে দিয়েছে৷ আমরা সেই ভবনগুলো ভেঙে দিয়েছি৷ কেরানীগঞ্জে খাল-নদী ভরাট করে কোনো ভবন নির্মাণ করা যাবে না৷

তিনি আরও বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষর অধীন এলাকায় হাউজিং কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য রাজউকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে৷

এসয় আরও উপস্থিত ছিলেন, অথরাইজড অফিসার সাঈদা ইসলাম, সহকারী অথরাইজড অফিসার মোঃ ইসমাইল হোসেন, প্রধান ইমারত পরিদর্শক সজল মজুমদার, ইমারত পরিদর্শক শুভ সাহা, মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম সহ রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন