ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শান্তি আলোচনার আড়ালে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বান্দরবানে কম্বিং অপারেশন শুরু: সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৬:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪
  • / ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের থানচি ও রুমায় কয়েক দফা সন্ত্রাসী হামলার পর সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনে কম্বিং অপারেশন শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। রোববার দুপুরে বান্দরবান সেনা রিজিয়ন মাঠে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে কম্বিং অপারেশন শুরু হয়েছে। বিভিন্ন বাহিনী সম্মিলিতভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

এর আগে সেনাপ্রধান সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলা পরিদর্শন করেন।

বান্দরবানের দুই উপজেলায় গত মঙ্গলবার রাতে ১৭ ঘণ্টার মধ্যে দুটি ব্যাংকের তিনটি শাখায় হামলা, অস্ত্র লুট ও অপহরণের ঘটনা ঘটে। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে থানচি থানা লক্ষ্য করে গুলি করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী।

পরে গভীর রাতে আলীকদম উপজেলায় পুলিশ ও সেনাদের একটি যৌথ তল্লাশি চৌকিতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এসব ঘটনায় কেএনএফ জড়িত বলে ধারণা পুলিশ ও স্থানীয়দের।

এসব ঘটনায় রুমা ও থানচি থানায় ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় পৃথক তিনটি ব্যাংকে ডাকাতি, পুলিশ ও আনসারের অস্ত্র লুট, থানায় হামলা ও ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের অভিযোগ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী প্রধান বলেছেন, শান্তি আলোচনার আড়ালে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে। তারা তাদের উদ্দেশ্য জাহির করে ফেলেছে। আমরা এখন সরকার সামগ্রিকভাবে যা চিন্তা করেছে, সেভাবে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশসহ সবাই সমন্বিতভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করব।

জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথ অভিযানে অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বলে আমি মনে করি।

সেনাপ্রধান আরও বলেন, গতকাল শনিবার রাতে কিছু সন্ত্রাসীকে ধরতে সক্ষম হয়েছে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিছু অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বান্দরবানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম সেনাবাহিনী।

শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, দৃশ্যমান কিছু কার্যক্রম আপনারা দেখতে পাবেন। এর ফল আপনারা সময়মতো পাবেন। আমি আপনাদের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে চাই, আমার কাছে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা খুবই পরিষ্কার। বাংলাদেশের জনগণের শান্তির জন্য, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য যা যা করণীয়, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ- সেটাই করতে হবে। সেটা বাস্তবায়নে আমরা সক্ষম হব বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শান্তি আলোচনার আড়ালে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বান্দরবানে কম্বিং অপারেশন শুরু: সেনাপ্রধান

আপলোড সময় : ০৬:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪

বান্দরবানের থানচি ও রুমায় কয়েক দফা সন্ত্রাসী হামলার পর সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনে কম্বিং অপারেশন শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। রোববার দুপুরে বান্দরবান সেনা রিজিয়ন মাঠে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে কম্বিং অপারেশন শুরু হয়েছে। বিভিন্ন বাহিনী সম্মিলিতভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

এর আগে সেনাপ্রধান সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলা পরিদর্শন করেন।

বান্দরবানের দুই উপজেলায় গত মঙ্গলবার রাতে ১৭ ঘণ্টার মধ্যে দুটি ব্যাংকের তিনটি শাখায় হামলা, অস্ত্র লুট ও অপহরণের ঘটনা ঘটে। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে থানচি থানা লক্ষ্য করে গুলি করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী।

পরে গভীর রাতে আলীকদম উপজেলায় পুলিশ ও সেনাদের একটি যৌথ তল্লাশি চৌকিতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এসব ঘটনায় কেএনএফ জড়িত বলে ধারণা পুলিশ ও স্থানীয়দের।

এসব ঘটনায় রুমা ও থানচি থানায় ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় পৃথক তিনটি ব্যাংকে ডাকাতি, পুলিশ ও আনসারের অস্ত্র লুট, থানায় হামলা ও ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের অভিযোগ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী প্রধান বলেছেন, শান্তি আলোচনার আড়ালে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে। তারা তাদের উদ্দেশ্য জাহির করে ফেলেছে। আমরা এখন সরকার সামগ্রিকভাবে যা চিন্তা করেছে, সেভাবে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশসহ সবাই সমন্বিতভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করব।

জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথ অভিযানে অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বলে আমি মনে করি।

সেনাপ্রধান আরও বলেন, গতকাল শনিবার রাতে কিছু সন্ত্রাসীকে ধরতে সক্ষম হয়েছে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিছু অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বান্দরবানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম সেনাবাহিনী।

শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, দৃশ্যমান কিছু কার্যক্রম আপনারা দেখতে পাবেন। এর ফল আপনারা সময়মতো পাবেন। আমি আপনাদের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে চাই, আমার কাছে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা খুবই পরিষ্কার। বাংলাদেশের জনগণের শান্তির জন্য, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য যা যা করণীয়, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ- সেটাই করতে হবে। সেটা বাস্তবায়নে আমরা সক্ষম হব বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন