ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের ৯০ শতাংশেরও বেশি অক্ষত: আইআরজিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৭:০৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

ইরানের অস্ত্র সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার হ্রাস পাওয়ার বিষয়ে পশ্চিমা মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফের সিনিয়র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা নাকদি জানিয়েছেন, ইরানের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদের ৯০ শতাংশেরও বেশি সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে।

এক সাক্ষাৎকারে নাকদি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন নেটওয়ার্কের স্বনির্ভরতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, ইরানের ভূগর্ভস্থ উৎপাদনকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে চলেছে এবং সামরিক অভিযানে যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র খরচ হয়, তা দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে দ্রুত পূরণ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন হোয়াইট হাউসের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল মার্কিন সামরিক অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।

মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলা ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্ক এবং ড্রোন উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এছাড়া, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, ইরানের ধারাবাহিক হামলা প্রতিহত করতে ওয়াশিংটনকে উচ্চস্তরের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার মধ্যে প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরানের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের ৯০ শতাংশেরও বেশি অক্ষত: আইআরজিসি

আপলোড সময় : ০৭:০৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের অস্ত্র সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার হ্রাস পাওয়ার বিষয়ে পশ্চিমা মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফের সিনিয়র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা নাকদি জানিয়েছেন, ইরানের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদের ৯০ শতাংশেরও বেশি সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে।

এক সাক্ষাৎকারে নাকদি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন নেটওয়ার্কের স্বনির্ভরতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, ইরানের ভূগর্ভস্থ উৎপাদনকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে চলেছে এবং সামরিক অভিযানে যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র খরচ হয়, তা দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে দ্রুত পূরণ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন হোয়াইট হাউসের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল মার্কিন সামরিক অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।

মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলা ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্ক এবং ড্রোন উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এছাড়া, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, ইরানের ধারাবাহিক হামলা প্রতিহত করতে ওয়াশিংটনকে উচ্চস্তরের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার মধ্যে প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন