ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের বিতর্কিত সদস্যদের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুললেন রাশেদ খাঁন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৩:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জামায়াতে ইসলামীতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত ‘অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন করে সঠিক পথে আনার উদ্যোগ’ নিয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাশেদ খাঁন এসব মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানকে ২০০৪ সালে অর্থের বিনিময়ে জামিনের আশ্বাস দেওয়ার অভিযোগে অপসারণ করা হয়েছিল। পরে তিনি হাইকোর্টে এই আদেশ চ্যালেঞ্জ করেন, কিন্তু ২০১৫ সালে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপতির দেওয়া অপসারণের আদেশ বহাল রাখে।

রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতে যোগদান করে শাহিদুর রহমান অতীতের বিতর্ক থেকে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। তিনি জামায়াতকে ধন্যবাদ জানান যে, তারা অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।

এছাড়া, এনসিপির নেতা ইসহাক সরকারের ভাইয়ের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতের সমালোচনা করেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, ৩৬ বছর ধরে একজন মানুষ ‘মানুষ হতে না পারলেও’ জামায়াতে যোগ দেওয়ার পর তিনি ভালো মানুষ হয়ে গেছেন—এমন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।

তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, জামায়াতের ‘আলাদিনের চেরাগ’ দেখার ইচ্ছে রয়েছে তার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন কী জাদু আছে, যার মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে একজন অপরাধী পাপমুক্ত হয়ে যায়। পোস্টের শেষে তিনি মন্তব্য করেন, জামায়াত বর্তমানে ‘অপরাধী পাপমুক্তকরণ টিকিট’ চালু করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জামায়াতের বিতর্কিত সদস্যদের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুললেন রাশেদ খাঁন

আপলোড সময় : ০৩:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জামায়াতে ইসলামীতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত ‘অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন করে সঠিক পথে আনার উদ্যোগ’ নিয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাশেদ খাঁন এসব মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানকে ২০০৪ সালে অর্থের বিনিময়ে জামিনের আশ্বাস দেওয়ার অভিযোগে অপসারণ করা হয়েছিল। পরে তিনি হাইকোর্টে এই আদেশ চ্যালেঞ্জ করেন, কিন্তু ২০১৫ সালে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপতির দেওয়া অপসারণের আদেশ বহাল রাখে।

রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতে যোগদান করে শাহিদুর রহমান অতীতের বিতর্ক থেকে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। তিনি জামায়াতকে ধন্যবাদ জানান যে, তারা অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।

এছাড়া, এনসিপির নেতা ইসহাক সরকারের ভাইয়ের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতের সমালোচনা করেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, ৩৬ বছর ধরে একজন মানুষ ‘মানুষ হতে না পারলেও’ জামায়াতে যোগ দেওয়ার পর তিনি ভালো মানুষ হয়ে গেছেন—এমন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।

তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, জামায়াতের ‘আলাদিনের চেরাগ’ দেখার ইচ্ছে রয়েছে তার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন কী জাদু আছে, যার মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে একজন অপরাধী পাপমুক্ত হয়ে যায়। পোস্টের শেষে তিনি মন্তব্য করেন, জামায়াত বর্তমানে ‘অপরাধী পাপমুক্তকরণ টিকিট’ চালু করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন