ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ

  • আপলোড সময় : ০৮:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / ২০২ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার শেওড়াতলা সীমান্ত দিয়ে আবারও ১০ জনকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিএসএফ। পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন ছয়জন পুরুষ ও একজন নারী। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের নিয়ে ফিরে যায় বিএসএফ। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়।

জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৪২-এর ৫এস ও ৬এস-এর মধ্যবর্তী শেওড়াতলা সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ভারতের নদীয়া জেলার মুরটিয়া থানার ব্রজনাথপুর গ্রামের দিক থেকে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন জানান, সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনক পরিস্থিতি দেখে বিষয়টি তারা বিজিবিকে জানান। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবস্থান নেন এবং বিএসএফের এমন উদ্যোগের প্রতিবাদ জানান। একই সময়ে স্থানীয় বাসিন্দারাও সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়ে পুশইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।

প্রত্যক্ষদর্শী রেজানুল হক বলেন, বিজিবির কড়া অবস্থান ও স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে বিএসএফ শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিদের নিয়ে পিছু হটে। বর্তমানে তারা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যবর্তী নোম্যান্সল্যান্ডে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ

আপলোড সময় : ০৮:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার শেওড়াতলা সীমান্ত দিয়ে আবারও ১০ জনকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিএসএফ। পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন ছয়জন পুরুষ ও একজন নারী। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের নিয়ে ফিরে যায় বিএসএফ। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়।

জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৪২-এর ৫এস ও ৬এস-এর মধ্যবর্তী শেওড়াতলা সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ভারতের নদীয়া জেলার মুরটিয়া থানার ব্রজনাথপুর গ্রামের দিক থেকে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন জানান, সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনক পরিস্থিতি দেখে বিষয়টি তারা বিজিবিকে জানান। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবস্থান নেন এবং বিএসএফের এমন উদ্যোগের প্রতিবাদ জানান। একই সময়ে স্থানীয় বাসিন্দারাও সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়ে পুশইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।

প্রত্যক্ষদর্শী রেজানুল হক বলেন, বিজিবির কড়া অবস্থান ও স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে বিএসএফ শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিদের নিয়ে পিছু হটে। বর্তমানে তারা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যবর্তী নোম্যান্সল্যান্ডে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন