ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির জন্য ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান: সংসদে নতুন বিল পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৯:১৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যা পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখে। নতুন আইনে এসব অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদন পায়।

নতুন আইনে অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ যেকোনো মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পূর্বের ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধানের তুলনায় কম। সংশোধিত আইনে আরও কয়েকটি অপরাধের ক্ষেত্রেও শাস্তির মেয়াদ কমানো হয়েছে।

বিলে প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ বা ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা গোপন করার মতো কর্মকাণ্ড অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

আইনে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন বা বহনের চেষ্টা এবং পরীক্ষা পরিচালনাসংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা অমান্য করলেও একই মাত্রার শাস্তি দেওয়া যাবে। এছাড়া উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির জন্য ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান: সংসদে নতুন বিল পাস

আপলোড সময় : ০৯:১৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যা পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখে। নতুন আইনে এসব অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদন পায়।

নতুন আইনে অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ যেকোনো মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পূর্বের ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধানের তুলনায় কম। সংশোধিত আইনে আরও কয়েকটি অপরাধের ক্ষেত্রেও শাস্তির মেয়াদ কমানো হয়েছে।

বিলে প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ বা ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা গোপন করার মতো কর্মকাণ্ড অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

আইনে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন বা বহনের চেষ্টা এবং পরীক্ষা পরিচালনাসংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা অমান্য করলেও একই মাত্রার শাস্তি দেওয়া যাবে। এছাড়া উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন