জকসু সদস্য সাদমান সাম্যর উদ্যোগে জবিতে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- আপলোড সময় : ০৩:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
- / ২০৭ বার পড়া হয়েছে
শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা, মানসিক চাপ (স্ট্রেস) মোকাবিলা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে “Workshop on Stress Management” শীর্ষক একটি বিনামূল্যের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাদমান আমিন সাম্যর (সাদমান সাম্য) উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের কনফারেন্স রুমে এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটিতে অতিথি সংস্থা হিসেবে সহযোগিতা করে আশ্বাস হেলথ।
কর্মশালার প্রধান বক্তা ছিলেন ফাতেমা শাহরিন, যিনি আশ্বাস হেলথের সাইকোলজিস্ট এবং icddr,b-এর সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
কর্মশালায় স্ট্রেসের কারণ, লক্ষণ, প্রকারভেদ, মানসিক ও শারীরিক প্রভাব এবং বৈজ্ঞানিক উপায়ে স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন কার্যকর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবন, একাডেমিক চাপ, সময় ব্যবস্থাপনা এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার বিভিন্ন বাস্তবসম্মত পরামর্শ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পুরো সেশনজুড়ে অংশগ্রহণকারীরা সক্রিয়ভাবে আলোচনায় যুক্ত হন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন জিজ্ঞাসার উত্তর পাওয়ার সুযোগ পান।
উদ্যোক্তা মো. সাদমান আমিন সাম্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে এবং একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
আশ্বাস হেলথের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতামূলক এমন উদ্যোগ তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও একাডেমিক জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বিনামূল্যের কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিষ্ঠানটি।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেন এবং ভবিষ্যতে আরও মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজনের আহ্বান জানান।
























