ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক মেজর মোজাফফর গ্রেপ্তার, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের নতুন প্রশ্ন উঠেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার হয়েছেন তৎকালীন মেজর মোজাফফর হোসেন (৭৭)। তাকে গত বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, বুধবার রাত ১০টার দিকে মোজাফফরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিষয়টি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে জানানো হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মোজাফফরের গ্রেপ্তারের পর ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের নানা প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে। হত্যার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, মোজাফফর হত্যাকাণ্ডের সময় জিয়াউর রহমানের কাছাকাছি ছিলেন। সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের বইয়ে উল্লেখ রয়েছে যে, তিনি আতঙ্কিত ছিলেন এবং হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু জানতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর সামরিক আদালতে ১৮ সেনা কর্মকর্তার বিচার হয়, যার মধ্যে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়। তবে মোজাফফর পালিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং তার দীর্ঘ পলাতক জীবনের অনেক তথ্য এখনো অজানা।

মোজাফফরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যেতে পারে। তবে গ্রেপ্তারের পর তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক মেজর মোজাফফর গ্রেপ্তার, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের নতুন প্রশ্ন উঠেছে

আপলোড সময় : ১২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার হয়েছেন তৎকালীন মেজর মোজাফফর হোসেন (৭৭)। তাকে গত বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, বুধবার রাত ১০টার দিকে মোজাফফরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিষয়টি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে জানানো হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মোজাফফরের গ্রেপ্তারের পর ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের নানা প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে। হত্যার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, মোজাফফর হত্যাকাণ্ডের সময় জিয়াউর রহমানের কাছাকাছি ছিলেন। সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের বইয়ে উল্লেখ রয়েছে যে, তিনি আতঙ্কিত ছিলেন এবং হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু জানতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর সামরিক আদালতে ১৮ সেনা কর্মকর্তার বিচার হয়, যার মধ্যে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়। তবে মোজাফফর পালিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং তার দীর্ঘ পলাতক জীবনের অনেক তথ্য এখনো অজানা।

মোজাফফরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যেতে পারে। তবে গ্রেপ্তারের পর তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন