মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারী দিলেন নবীউল্লাহ নবী
- আপলোড সময় : ১১:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও যেকোনো ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার হুশিয়ারী দিলেন নবীউল্লাহ নবী।
এসময় তিনি ঢাকা-৫ আসনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, কোনো ধরনের মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
সম্প্রতি ডেমরা থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডেমরা থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটি বাতিল করা হয়েছে। যারা দলের নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হবে, তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঢাকা-৫ আসনের এলাকায় কেউ যদি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বা কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, সে যে-ই হোক না কেন—তার বিরুদ্ধে দলীয় নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এখানে ব্যক্তি, পরিচয়, সম্পর্ক বা প্রভাব কোনো কিছুই বিবেচনা করা হবে না।
দীর্ঘ সতেরো বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আমরা নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে সংগ্রাম করেছি। সেই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কোনো চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধীর সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। দলের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে এবং দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নিজের কাছের মানুষ কিংবা পরিবারের সদস্য হলেও কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি ঢাকা-৫ আসনের সকল নাগরিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রতি জোড়ালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো চাদাবাজী অনিয়ম, সন্ত্রাস, মাদক কর্মকাণ্ডের তথ্য বা ঘটনা থাকলে যথাযথ প্রমাণসহ আমাদের লিখিতভাবে অবহিত করুন। আমরা বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের সহযোগিতা নেব।
ঢাকা-৫ আসনে আগামী দিনে কোনো ধরনের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, চাঁদাবাজি বা মাদক ব্যবসার স্থান হবে না। প্রতিটি ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্বশীল রাজনীতি করার আহ্বান জানাচ্ছি।
দলের ভাবমূর্তি ও জনগণের আস্থা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কোনো নেতাকর্মী যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হন বা কাউকে জড়িত হতে সহায়তা করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর সবার আগে বাংলাদেশ নীতিতে জনগণের অধিকার, দলের শৃঙ্খলা ও একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের এই অবস্থান অবিচল থাকবে


























