ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

  • আপলোড সময় : ০৯:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ২০৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন সচল রাখা এবং জীবিকা সুরক্ষায় প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা) জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। শুক্রবার (২৬ জুন) দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এ অর্থায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, এই সহায়তার মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অনুমোদিত অর্থের মধ্যে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৩০ কোটি ডলার (প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা) দেওয়া হবে, যা ২০২৬ সালের আমন ও বোরো মৌসুমে সারের আমদানিতে সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানির অর্থায়ন করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া। প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার সুলেমান কৌলিবালি বলেন, সারের সরবরাহ ব্যাহত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

অন্যদিকে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৮ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকা) দেওয়া হবে। এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা এবং জরুরি সেবা সচল রাখতে ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটির অর্থ ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে এই সহায়তা দ্রুত অর্থপ্রাপ্তির সুযোগ তৈরি করবে, যা মানুষ ও ব্যবসাকে অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে সুরক্ষা দেবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপলোড সময় : ০৯:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন সচল রাখা এবং জীবিকা সুরক্ষায় প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা) জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। শুক্রবার (২৬ জুন) দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এ অর্থায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, এই সহায়তার মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অনুমোদিত অর্থের মধ্যে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৩০ কোটি ডলার (প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা) দেওয়া হবে, যা ২০২৬ সালের আমন ও বোরো মৌসুমে সারের আমদানিতে সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানির অর্থায়ন করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া। প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার সুলেমান কৌলিবালি বলেন, সারের সরবরাহ ব্যাহত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

অন্যদিকে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৮ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকা) দেওয়া হবে। এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা এবং জরুরি সেবা সচল রাখতে ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটির অর্থ ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে এই সহায়তা দ্রুত অর্থপ্রাপ্তির সুযোগ তৈরি করবে, যা মানুষ ও ব্যবসাকে অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে সুরক্ষা দেবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন