ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

  • আপলোড সময় : ১০:২৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ২০৪ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স দীর্ঘ ৬ মাস পর খোলা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় গণনা শেষে ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে, যার পরিমাণ ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। এটি মসজিদের ইতিহাসে একক সময়ে দানের ক্ষেত্রে একটি নতুন রেকর্ড।

গণনার কাজ চলাকালে পাগলা মসজিদ ও মাদরাসার ছাত্র শিক্ষক, আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদরাসার সদস্য, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ৬০০ জন অংশ নেন। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পাগলা মসজিদের দানবাক্স সাধারণত প্রতি তিন মাস পর পর খোলা হয়, তবে এবার ৬ মাস পর খোলা হলো। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। দান থেকে পাওয়া অর্থ মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।

এছাড়া, মসজিদটিকে আন্তর্জাতিক মানের ইসলামিক কমপ্লেক্সে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যার প্রাথমিক ব্যয় ১১৫ থেকে ১২০ কোটি টাকা। নতুন কমপ্লেক্সে ৬০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

আপলোড সময় : ১০:২৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স দীর্ঘ ৬ মাস পর খোলা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় গণনা শেষে ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে, যার পরিমাণ ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। এটি মসজিদের ইতিহাসে একক সময়ে দানের ক্ষেত্রে একটি নতুন রেকর্ড।

গণনার কাজ চলাকালে পাগলা মসজিদ ও মাদরাসার ছাত্র শিক্ষক, আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদরাসার সদস্য, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ৬০০ জন অংশ নেন। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পাগলা মসজিদের দানবাক্স সাধারণত প্রতি তিন মাস পর পর খোলা হয়, তবে এবার ৬ মাস পর খোলা হলো। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। দান থেকে পাওয়া অর্থ মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।

এছাড়া, মসজিদটিকে আন্তর্জাতিক মানের ইসলামিক কমপ্লেক্সে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যার প্রাথমিক ব্যয় ১১৫ থেকে ১২০ কোটি টাকা। নতুন কমপ্লেক্সে ৬০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন