ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জবি শিক্ষকদের চোখে-মেধা,শালীনতা ও নেতৃত্বেগুণে ব্যতিক্রম ছাত্রনেতা আসলাম

রাকিবুল হাসান রাকিব (ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
রাকিবুল হাসান রাকিব (ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
  • আপলোড সময় : ১২:৪০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২২৪ বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান আসলামকে মেধা, শালীনতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের দিক থেকে ব্যতিক্রমী ছাত্রনেতা হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য, ট্রেজারার ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইমরানুল হক সহ অনেকে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সম্ভাব্য নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আসলামের নাম আলোচনায় আসার প্রেক্ষাপটে তার জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বকালীন ভূমিকা, মেধা ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জবি শিক্ষকরা এসব কথা বলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, “আসলাম অত্যন্ত ভদ্র, মানবিক ও মিশুক একজন মানুষ। একজন ছাত্রনেতার মধ্যে যে গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তার প্রায় সবই তাঁর মধ্যে রয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তিনি শিক্ষিত, মার্জিত ও শিষ্টাচার সম্পর্কে অবগত। কাকে কীভাবে সম্মান করতে হয়, ছোটদের প্রতি কীভাবে স্নেহ দেখাতে হয় এবং বড়দের কীভাবে মর্যাদা দিতে হয়—এসব বিষয়ে তিনি অন্যদের জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, অন্য নেতাদেরও আসলামের কাছ থেকে এসব গুণ শেখা উচিত। তিনি নেতা হিসেবে একটি রোল মডেল ছিলেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তিনি একজন মূল্যবান সম্পদ (অ্যাসেট) ছিলেন। ভবিষ্যতেও যদি এ ধরনের মানবিক, শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব সামনে আসে, তাহলে তারা দেশ ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। দেশ ও জাতির জন্য এমন নেতৃত্বেরই প্রয়োজন।”

একইভাবে আসলামের ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, আসলামের মতো বিনয়ী ও অমায়িক ছাত্রনেতা সমসাময়িক রাজনীতিতে সত্যিই বিরল। একাধারে মেধাবী ও কঠোর পরিশ্রমী এই তরুণের মাঝে নেতৃত্বের সকল গুণাবলি বিদ্যমান। আমি শুনেছি ছাত্ররাজনীতি করার পাশাপাশি সে টিউশনি করত, যা আজকের তরুণদের জন্য নীতিবান হওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন ছাত্রনেতা আসলামের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন,”ছাত্রদলের চরম দুঃসময়ে আসলাম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে তার অবদান ছিল অপরিসীম। প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও অনন্য মেধা, সততা ও অসাধারণ বিনয় তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং সমাদৃত করে তুলেছে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণে, মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে আসতে হলে শুধু ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা নয়, মাঠপর্যায়ে সংগঠন পরিচালনা, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং বৃহত্তর সাংগঠনিক পরিসরে গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আসলামের ক্ষেত্রে জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বকালীন ভূমিকা এবং তার সাংগঠনিক সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা হতে পারে।

রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়ে আসাদুজ্জামান আসলাম বলেন, ‘রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি। কখনো হামলার শিকার হয়েছি, কখনো আহত হয়েছি, আবার মামলা ও গ্রেপ্তারের মতো পরিস্থিতিও এসেছে। কিন্তু এসব কারণে রাজনীতি থেকে সরে যাইনি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি শুধু পদ-পদবির জন্য নয়; মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার জন্যও কাজ করার জায়গা।’

নিজের রাজনৈতিক জীবনের কঠিন সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন দায়িত্ব পালন করেছি, তখন অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে হয়েছে। সেই সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ব্যক্তিগতভাবে যত বাধাই এসেছে, সংগঠনের কর্মসূচি ও নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখাকে আমি বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।’

ছাত্রজীবনে টিউশনি করে নিজের খরচ চালানোর বিষয়ে আসলাম বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি নিজের পড়াশোনা ও জীবনযাত্রার খরচ নিজেকেই বহন করতে হয়েছে। তাই টিউশনি করেছি। আমার কাছে এটা কোনো লজ্জার বিষয় নয়; বরং নিজের দায়িত্ব নিজে নেওয়ার বিষয়। রাজনীতি করার কারণে পড়াশোনা বা ব্যক্তিগত দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার পক্ষে আমি নই।’

জুলাই-আগস্টের আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর ভূমিকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমেছিল। তখন সংগঠনের একজন কর্মী ও নেতা হিসেবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ৫ আগস্টের পরও আমরা চেয়েছি এলাকায় যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয় এবং সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদে থাকতে পারে। সে কারণেই পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তার বিষয়ে নেতাকর্মীদের সক্রিয় থাকতে বলেছি এবং নিজেও স্ব-শরীরে রাত-দিন মাঠে থেকেছি’।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি পদে তাঁর নাম আলোচনায় আসার বিষয়ে আসলাম বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দল যদি আমাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়ার উপযুক্ত মনে করে, তাহলে আমি সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির সময় যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, সেটি কাজে লাগিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও নেতাকর্মীবান্ধব করার চেষ্টা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি পদকে লক্ষ্য হিসেবে দেখি না। সংগঠনের জন্য কাজ করাটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্ব পেলে তরুণদের সংগঠিত করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার দিকে গুরুত্ব দিতে চাই।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জবি শিক্ষকদের চোখে-মেধা,শালীনতা ও নেতৃত্বেগুণে ব্যতিক্রম ছাত্রনেতা আসলাম

আপলোড সময় : ১২:৪০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান আসলামকে মেধা, শালীনতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের দিক থেকে ব্যতিক্রমী ছাত্রনেতা হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য, ট্রেজারার ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইমরানুল হক সহ অনেকে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সম্ভাব্য নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আসলামের নাম আলোচনায় আসার প্রেক্ষাপটে তার জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বকালীন ভূমিকা, মেধা ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জবি শিক্ষকরা এসব কথা বলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, “আসলাম অত্যন্ত ভদ্র, মানবিক ও মিশুক একজন মানুষ। একজন ছাত্রনেতার মধ্যে যে গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তার প্রায় সবই তাঁর মধ্যে রয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তিনি শিক্ষিত, মার্জিত ও শিষ্টাচার সম্পর্কে অবগত। কাকে কীভাবে সম্মান করতে হয়, ছোটদের প্রতি কীভাবে স্নেহ দেখাতে হয় এবং বড়দের কীভাবে মর্যাদা দিতে হয়—এসব বিষয়ে তিনি অন্যদের জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, অন্য নেতাদেরও আসলামের কাছ থেকে এসব গুণ শেখা উচিত। তিনি নেতা হিসেবে একটি রোল মডেল ছিলেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তিনি একজন মূল্যবান সম্পদ (অ্যাসেট) ছিলেন। ভবিষ্যতেও যদি এ ধরনের মানবিক, শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব সামনে আসে, তাহলে তারা দেশ ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। দেশ ও জাতির জন্য এমন নেতৃত্বেরই প্রয়োজন।”

একইভাবে আসলামের ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, আসলামের মতো বিনয়ী ও অমায়িক ছাত্রনেতা সমসাময়িক রাজনীতিতে সত্যিই বিরল। একাধারে মেধাবী ও কঠোর পরিশ্রমী এই তরুণের মাঝে নেতৃত্বের সকল গুণাবলি বিদ্যমান। আমি শুনেছি ছাত্ররাজনীতি করার পাশাপাশি সে টিউশনি করত, যা আজকের তরুণদের জন্য নীতিবান হওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন ছাত্রনেতা আসলামের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন,”ছাত্রদলের চরম দুঃসময়ে আসলাম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে তার অবদান ছিল অপরিসীম। প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও অনন্য মেধা, সততা ও অসাধারণ বিনয় তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং সমাদৃত করে তুলেছে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণে, মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে আসতে হলে শুধু ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা নয়, মাঠপর্যায়ে সংগঠন পরিচালনা, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং বৃহত্তর সাংগঠনিক পরিসরে গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আসলামের ক্ষেত্রে জবি ছাত্রদলের নেতৃত্বকালীন ভূমিকা এবং তার সাংগঠনিক সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা হতে পারে।

রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়ে আসাদুজ্জামান আসলাম বলেন, ‘রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি। কখনো হামলার শিকার হয়েছি, কখনো আহত হয়েছি, আবার মামলা ও গ্রেপ্তারের মতো পরিস্থিতিও এসেছে। কিন্তু এসব কারণে রাজনীতি থেকে সরে যাইনি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি শুধু পদ-পদবির জন্য নয়; মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার জন্যও কাজ করার জায়গা।’

নিজের রাজনৈতিক জীবনের কঠিন সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন দায়িত্ব পালন করেছি, তখন অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে হয়েছে। সেই সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ব্যক্তিগতভাবে যত বাধাই এসেছে, সংগঠনের কর্মসূচি ও নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখাকে আমি বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।’

ছাত্রজীবনে টিউশনি করে নিজের খরচ চালানোর বিষয়ে আসলাম বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি নিজের পড়াশোনা ও জীবনযাত্রার খরচ নিজেকেই বহন করতে হয়েছে। তাই টিউশনি করেছি। আমার কাছে এটা কোনো লজ্জার বিষয় নয়; বরং নিজের দায়িত্ব নিজে নেওয়ার বিষয়। রাজনীতি করার কারণে পড়াশোনা বা ব্যক্তিগত দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার পক্ষে আমি নই।’

জুলাই-আগস্টের আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর ভূমিকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমেছিল। তখন সংগঠনের একজন কর্মী ও নেতা হিসেবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ৫ আগস্টের পরও আমরা চেয়েছি এলাকায় যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয় এবং সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদে থাকতে পারে। সে কারণেই পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তার বিষয়ে নেতাকর্মীদের সক্রিয় থাকতে বলেছি এবং নিজেও স্ব-শরীরে রাত-দিন মাঠে থেকেছি’।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি পদে তাঁর নাম আলোচনায় আসার বিষয়ে আসলাম বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দল যদি আমাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়ার উপযুক্ত মনে করে, তাহলে আমি সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির সময় যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, সেটি কাজে লাগিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও নেতাকর্মীবান্ধব করার চেষ্টা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি পদকে লক্ষ্য হিসেবে দেখি না। সংগঠনের জন্য কাজ করাটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্ব পেলে তরুণদের সংগঠিত করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার দিকে গুরুত্ব দিতে চাই।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন