“ক্লান্ত আত্মার আর্তনাদ”
- আপলোড সময় : ০৯:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
- / ২০৬ বার পড়া হয়েছে
জীবনটা এমন কেনো বলো তো,
না পারি কাউকে বুঝাতে,
না পারি কারো বুকে মাথা রেখে
অঝোরে কাঁদতে…
আপন মানুষগুলো আজ অচেনা ছায়া,
আর পর মানুষ?
তারা তো ব্যস্ত,
আমার ভাঙা হৃদয়ের শব্দে
হাসির সুর তুলতে…
ভুল আর সঠিকের মাঝখানে দাঁড়িয়ে
আমি একা এক বিচারক,
প্রতিদিন নিজেকেই প্রশ্ন করি,
কোনটা ঠিক? কোনটা ভুল?
উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই
আমি আজ ভীষণ ক্লান্ত…
দ্বিধার এই অন্ধকার গলিতে
হারিয়ে ফেলেছি নিজের পথ,
কার হাত ধরবো, কার কাছে যাবো,
সবই আজ ধোঁয়াটে লাগে।
ভেতরটা ভেঙে চুরমার হয়ে গেলেও
বাইরে আমি হাসির মুখোশে বন্দী,
কারণ আমি পুরুষ,
আমার কান্না নাকি লুকিয়ে রাখাই নিয়ম…
কখনো মনে হয় হারিয়ে যাই,
এই পৃথিবীর সব শব্দ ছেড়ে,
আবার মনই বলে!
“তুই হারালে কারো কি কিছু যায় আসে?”
এই প্রশ্নটাই আমাকে থামিয়ে দেয়,
মরতে গিয়েও ভাবি,
আমার না থাকা কি সত্যিই
কারো জীবনে কোনো শূন্যতা আনবে?
আমি সত্যিই ক্লান্ত…
ভীষণ ক্লান্ত…
চিৎকার করে বলতে চাই!
“আমি আর পারছি না!”
কিন্তু শব্দগুলো গলায় আটকে যায়,
কারণ সমাজ শিখিয়েছে,
পুরুষের কষ্ট নীরবতাতেই মানায়…
আজ মনে হয়,
আমি আর জীবিত নই,
একটা চলন্ত লাশ মাত্র…
তবুও শ্বাস নিচ্ছি!
কারণ মরে যাওয়ার সাহসও
হয়তো আমার হয়নি এখনো…
বুকের ভেতরটা প্রতিদিন
অদৃশ্য কোনো শকুন
ঠুকরে ঠুকরে খেয়ে ফেলছে,
আর আমি,
নিঃশব্দে সহ্য করে যাচ্ছি
নিজেরই ভাঙনের শব্দ…
লেখক: জাহেদুল ইসলাম ওয়াজিদ














