ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় সাদপন্থিদের ৭ দফা দাবি জানানো হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০২:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০৬ বার পড়া হয়েছে

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ অনুসারীরা আগামী ইজতেমার তারিখ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুরুল ইসলাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে শফিক বিন নাঈম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তাদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ অনুসারীদের জন্য আগামী বিশ্ব ইজতেমার তারিখ দ্রুত ঘোষণা করা।

এছাড়া, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান সরকারের নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষের ইজতেমা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় ব্যবহারের অনুমতি এবং সমতার দাবি জানানো হয়। কাকরাইল মসজিদ ‘তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ’-এর হিসেবে তাদের প্রাপ্য দাবি করে সেটি বুঝিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

তারা দেশের সব মসজিদে বাধাহীনভাবে দাওয়াত ও তাবলিগের কাজ চলতে পারে, সে জন্য সরকারি আদেশ জারির দাবি জানান। অপপ্রচার ও মিথ্যাচার রটনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

জুবায়েরপন্থী (শুরায়ি নেজাম) পাঁচজনকে অপপ্রচার ও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করে তাদের আয়-ব্যয়ের তথ্য সংগ্রহ ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অপকর্মের মূলোৎপাটনের দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হজরত মাওলানা সাদ ইসলামের প্রচারক এবং তিনি কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো মন্তব্য করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় সাদপন্থিদের ৭ দফা দাবি জানানো হয়েছে

আপলোড সময় : ০২:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ অনুসারীরা আগামী ইজতেমার তারিখ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুরুল ইসলাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে শফিক বিন নাঈম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তাদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ অনুসারীদের জন্য আগামী বিশ্ব ইজতেমার তারিখ দ্রুত ঘোষণা করা।

এছাড়া, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান সরকারের নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষের ইজতেমা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় ব্যবহারের অনুমতি এবং সমতার দাবি জানানো হয়। কাকরাইল মসজিদ ‘তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ’-এর হিসেবে তাদের প্রাপ্য দাবি করে সেটি বুঝিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

তারা দেশের সব মসজিদে বাধাহীনভাবে দাওয়াত ও তাবলিগের কাজ চলতে পারে, সে জন্য সরকারি আদেশ জারির দাবি জানান। অপপ্রচার ও মিথ্যাচার রটনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

জুবায়েরপন্থী (শুরায়ি নেজাম) পাঁচজনকে অপপ্রচার ও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করে তাদের আয়-ব্যয়ের তথ্য সংগ্রহ ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অপকর্মের মূলোৎপাটনের দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হজরত মাওলানা সাদ ইসলামের প্রচারক এবং তিনি কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো মন্তব্য করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন