ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজিতপুরে স্কুল ফিডিংয়ের দুধে পোকা পাওয়ার অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ১১:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ২১৭ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ইউএইচটি দুধের প্যাকেটে পোকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিবেদনে দুধের প্যাকেটে পোকা পাওয়ার অভিযোগের উল্লেখ নেই, যা নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, ১১ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত বাজিতপুরের ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাণ গ্রুপের নরসিংদী ডিপোর মাধ্যমে ইউএইচটি দুধ সরবরাহ করা হয়। হুমায়ুনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক অভিভাবক দুধের প্যাকেটে ধুলাবালি ও ময়লা দেখতে পান এবং কিছু প্যাকেটে ১০ থেকে ১৫টি পোকা চলাফেরা করতে দেখেন।

অভিভাবক বলেন, “এমন দুধ কীভাবে শিশুদের দেওয়া হবে?” একই ধরনের অভিযোগ মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেও পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর নষ্ট ও নিম্নমানের দুধ আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে পোকা পাওয়ার অভিযোগের উল্লেখ নেই। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রশিদ বলেন, “এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।”

স্থানীয় অভিভাবক ও নাগরিকদের মতে, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা। তাই দুধের প্যাকেটে পোকা পাওয়ার অভিযোগের নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাজিতপুরে স্কুল ফিডিংয়ের দুধে পোকা পাওয়ার অভিযোগ

আপলোড সময় : ১১:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ইউএইচটি দুধের প্যাকেটে পোকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিবেদনে দুধের প্যাকেটে পোকা পাওয়ার অভিযোগের উল্লেখ নেই, যা নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, ১১ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত বাজিতপুরের ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাণ গ্রুপের নরসিংদী ডিপোর মাধ্যমে ইউএইচটি দুধ সরবরাহ করা হয়। হুমায়ুনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক অভিভাবক দুধের প্যাকেটে ধুলাবালি ও ময়লা দেখতে পান এবং কিছু প্যাকেটে ১০ থেকে ১৫টি পোকা চলাফেরা করতে দেখেন।

অভিভাবক বলেন, “এমন দুধ কীভাবে শিশুদের দেওয়া হবে?” একই ধরনের অভিযোগ মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেও পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর নষ্ট ও নিম্নমানের দুধ আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে পোকা পাওয়ার অভিযোগের উল্লেখ নেই। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রশিদ বলেন, “এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।”

স্থানীয় অভিভাবক ও নাগরিকদের মতে, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা। তাই দুধের প্যাকেটে পোকা পাওয়ার অভিযোগের নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন