কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সরকারের প্রতিক্রিয়া
- আপলোড সময় : ১১:৫৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
- / ২১৭ বার পড়া হয়েছে
২০২৪ সালের ১ জুলাই, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। এই আন্দোলন ৩৬ দিনের মধ্যে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়, যা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিকে নিয়ে যায়। আন্দোলনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
২০১৮ সালে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনটি ১ জুলাই থেকে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়, তবে ১৫ জুলাই থেকে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চলতে থাকায় এটি দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্ট কোটা বাতিলের পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করলে শিক্ষার্থীরা ফের আন্দোলনে নামেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং শিক্ষার্থীরা নতুন নির্বাহী আদেশের দাবি জানান। ১ জুলাই নতুন সংগঠন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' গঠন করা হয়, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশের আয়োজন করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা ৪ জুলাই পর্যন্ত সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও একই দিন শহীদ মিনারের পাদদেশে সমাবেশ ও মিছিল করেন। তাদের দাবি, কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আইনগত সুরাহা করতে হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভের মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, ভবিষ্যতে কোটাব্যবস্থা নিয়ে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইলে ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল রেখে কমিশন গঠন করতে হবে এবং সরকারি চাকরির সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা দ্রুত বাতিল করতে হবে।























