ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেল্লাল হোসেনের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৬:১৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

গুম নাটকের হোতা বেল্লাল হোসেনের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির সম্প্রতি এই নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

আদালত সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শককে ক্রোককৃত সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ‘তত্ত্বাবধায়ক’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ জারি করে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বেল্লাল হোসেন ও তার সহযোগী মোসা. রেশমা আক্তার রিতা ২০১২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। তারা নিজেদের ডেভেলপার কোম্পানির নাম ব্যবহার করে অন্যের জমি ও সরকারি খাস জমি জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রয় করেছেন।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, অভিযুক্তরা প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মোট ৪ কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আদালত বেল্লাল হোসেনের নামে থাকা চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ৩০ দশমিক ১১ শতক জমি এবং ঢাকার মিরপুরের দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের আদেশ দেন।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে। দেশের খ্যাতনামা সার্জন ডা. শহীদুল বারী আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের উপার্জিত অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল। আদালতের এই আদেশ ন্যায়বিচারের প্রাথমিক জয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বেল্লাল হোসেনের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত

আপলোড সময় : ০৬:১৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

গুম নাটকের হোতা বেল্লাল হোসেনের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির সম্প্রতি এই নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

আদালত সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শককে ক্রোককৃত সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ‘তত্ত্বাবধায়ক’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ জারি করে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বেল্লাল হোসেন ও তার সহযোগী মোসা. রেশমা আক্তার রিতা ২০১২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। তারা নিজেদের ডেভেলপার কোম্পানির নাম ব্যবহার করে অন্যের জমি ও সরকারি খাস জমি জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রয় করেছেন।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, অভিযুক্তরা প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মোট ৪ কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আদালত বেল্লাল হোসেনের নামে থাকা চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ৩০ দশমিক ১১ শতক জমি এবং ঢাকার মিরপুরের দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের আদেশ দেন।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে। দেশের খ্যাতনামা সার্জন ডা. শহীদুল বারী আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের উপার্জিত অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল। আদালতের এই আদেশ ন্যায়বিচারের প্রাথমিক জয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন