ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের ২০ শতাংশ শুল্ক আদায়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১০:০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৪ বার পড়া হয়েছে

হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার একদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কার্যকর কৌশল খুঁজে পাচ্ছে না ওয়াশিংটন।

বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে জানান, ইরানি জাহাজ চলাচলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুনরায় কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সব জাহাজ, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর জাহাজকেও ২০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।

তবে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তিনি ওই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে জানান, উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। বিশ্লেষকরা এই অবস্থান পরিবর্তনকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে কিছু সাফল্য অর্জন করলেও রাজনৈতিকভাবে সংকটের সমাধান করতে পারেনি। ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হলেও দেশটি এখনও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিফেন্স প্রায়োরিটিজের পরিচালক রোজমেরি কেলানিডের মতে, এই সংঘাত এখন ক্ষয়যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে, কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের এলিয়ট আব্রামস বলেন, মূল প্রশ্ন হলো—কার ধৈর্য বেশি, ইরানের নাকি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের।

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংঘাত তীব্র হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ইতোমধ্যে ট্রাম্পের নৌ অবরোধের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ট্রাম্পের ২০ শতাংশ শুল্ক আদায়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

আপলোড সময় : ১০:০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার একদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কার্যকর কৌশল খুঁজে পাচ্ছে না ওয়াশিংটন।

বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে জানান, ইরানি জাহাজ চলাচলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুনরায় কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সব জাহাজ, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর জাহাজকেও ২০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।

তবে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তিনি ওই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে জানান, উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। বিশ্লেষকরা এই অবস্থান পরিবর্তনকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে কিছু সাফল্য অর্জন করলেও রাজনৈতিকভাবে সংকটের সমাধান করতে পারেনি। ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হলেও দেশটি এখনও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিফেন্স প্রায়োরিটিজের পরিচালক রোজমেরি কেলানিডের মতে, এই সংঘাত এখন ক্ষয়যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে, কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের এলিয়ট আব্রামস বলেন, মূল প্রশ্ন হলো—কার ধৈর্য বেশি, ইরানের নাকি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের।

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংঘাত তীব্র হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ইতোমধ্যে ট্রাম্পের নৌ অবরোধের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন