ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে গরুর মাংসের দাম নিয়ে সংঘর্ষ: বিএনপি নেতা বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৫:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৪ বার পড়া হয়েছে

সিলেট নগরের মদিনা মার্কেট এলাকায় গরুর মাংসের দাম নির্ধারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (২০ জুলাই) সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে মদিনা মার্কেট এলাকায় গরুর মাংসের মূল্য নিয়ে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল তিন নেতাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে।

সিলেট মহানগর বিএনপি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গিয়াস উদ্দিন ও রিপন চৌধুরীর মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তবে তদন্তে আজিজ খান সজিব, গোলাম রব্বানী ও রাসেল আহমদ খানের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাদের দায়মুক্ত ঘোষণা করা হয়। একই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গিয়াস উদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয় এবং রিপন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে আজিজ খান সজিব বলেন, তদন্তের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ পাওয়ায় তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তিনি ভবিষ্যতে কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত ছাড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেটে গরুর মাংসের দাম নিয়ে সংঘর্ষ: বিএনপি নেতা বহিষ্কার

আপলোড সময় : ০৫:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

সিলেট নগরের মদিনা মার্কেট এলাকায় গরুর মাংসের দাম নির্ধারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (২০ জুলাই) সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে মদিনা মার্কেট এলাকায় গরুর মাংসের মূল্য নিয়ে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল তিন নেতাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে।

সিলেট মহানগর বিএনপি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গিয়াস উদ্দিন ও রিপন চৌধুরীর মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তবে তদন্তে আজিজ খান সজিব, গোলাম রব্বানী ও রাসেল আহমদ খানের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাদের দায়মুক্ত ঘোষণা করা হয়। একই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গিয়াস উদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয় এবং রিপন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে আজিজ খান সজিব বলেন, তদন্তের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ পাওয়ায় তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তিনি ভবিষ্যতে কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত ছাড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন