ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে ওসির বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৭:১৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০৪ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামানের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের নাটক সাজিয়ে ব্যবসায়িক পাওনা ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী মিরাজ জামান রাজ, যিনি একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক, তিনি এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ আগস্ট মিরাজ জামান রাজকে হামদহ এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে নিয়ে আসেন ব্যবসায়ী লিমন সাহা। সেখানে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। পরে সন্ধ্যায় ওসি মো. আসাদউজ্জামান তাকে ফোন করে থানায় আসতে বলেন, অন্যথায় তাকে থানায় তুলে আনা হবে। থানায় গেলে ওসি জানান, লিমনের ভাই অমিত সাহা তার বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের অভিযোগ করেছেন।

মিরাজ অভিযোগ করেন, তাকে প্রায় চার ঘণ্টা থানায় আটকে রেখে পাওনা টাকার চুক্তিপত্রের স্ট্যাম্প নিয়ে আসতে বলা হয়। তিনি জানান, তদন্ত কর্মকর্তা গকুল চন্দ্র তাকে ভয়ভীতি দেখান। পরে তিনি স্ট্যাম্পটি থানায় দেন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে থানার বাইরে বের হন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন থেকে লিমন সাহার পক্ষ থেকে আপস-মীমাংসার প্রস্তাব আসতে থাকে, যদিও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লিটন জানান, লিমনকে পাওয়া যাচ্ছে না। মিরাজ দাবি করেন, পুরো ঘটনা সাজানো এবং এর মাধ্যমে তার পাওনা টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, তার কোন সম্পৃক্ততা নেই এবং অভিযোগের তদন্ত চলছে। ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাছান জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঝিনাইদহে ওসির বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা

আপলোড সময় : ০৭:১৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামানের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের নাটক সাজিয়ে ব্যবসায়িক পাওনা ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী মিরাজ জামান রাজ, যিনি একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক, তিনি এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ আগস্ট মিরাজ জামান রাজকে হামদহ এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে নিয়ে আসেন ব্যবসায়ী লিমন সাহা। সেখানে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। পরে সন্ধ্যায় ওসি মো. আসাদউজ্জামান তাকে ফোন করে থানায় আসতে বলেন, অন্যথায় তাকে থানায় তুলে আনা হবে। থানায় গেলে ওসি জানান, লিমনের ভাই অমিত সাহা তার বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের অভিযোগ করেছেন।

মিরাজ অভিযোগ করেন, তাকে প্রায় চার ঘণ্টা থানায় আটকে রেখে পাওনা টাকার চুক্তিপত্রের স্ট্যাম্প নিয়ে আসতে বলা হয়। তিনি জানান, তদন্ত কর্মকর্তা গকুল চন্দ্র তাকে ভয়ভীতি দেখান। পরে তিনি স্ট্যাম্পটি থানায় দেন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে থানার বাইরে বের হন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন থেকে লিমন সাহার পক্ষ থেকে আপস-মীমাংসার প্রস্তাব আসতে থাকে, যদিও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লিটন জানান, লিমনকে পাওয়া যাচ্ছে না। মিরাজ দাবি করেন, পুরো ঘটনা সাজানো এবং এর মাধ্যমে তার পাওনা টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, তার কোন সম্পৃক্ততা নেই এবং অভিযোগের তদন্ত চলছে। ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাছান জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন