ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তথ্য গোপন করে একাধিক রিট, আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০১:০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক রিট মামলার তথ্য গোপন ও আদালতের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম এবং তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। শুনানিতে রিটকারী নুর আলমের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী এএম মাহাবুব উদ্দিন খোকন এবং নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অনিক আর হক, মো. শিশির মনির ও আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।

শুনানির সময় আদালতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়েরের পাশাপাশি তথ্য গোপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপিত হয়। এর ভিত্তিতে আদালত রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নুর আলম ও সুফিয়া আহামেদকে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের করেন মোহাম্মদ নুর আলম। এসব মামলার সময় পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগ ওঠে, যার ফলে আদালত এই জরিমানার আদেশ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য গোপন করে একাধিক রিট, আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

আপলোড সময় : ০১:০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক রিট মামলার তথ্য গোপন ও আদালতের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম এবং তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। শুনানিতে রিটকারী নুর আলমের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী এএম মাহাবুব উদ্দিন খোকন এবং নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অনিক আর হক, মো. শিশির মনির ও আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।

শুনানির সময় আদালতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়েরের পাশাপাশি তথ্য গোপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপিত হয়। এর ভিত্তিতে আদালত রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নুর আলম ও সুফিয়া আহামেদকে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের করেন মোহাম্মদ নুর আলম। এসব মামলার সময় পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগ ওঠে, যার ফলে আদালত এই জরিমানার আদেশ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন