ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে মাছ শিকার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি

  • আপলোড সময় : ০২:১৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবনে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম চললেও অবাধে চলছে মৎস্য নিধন। নিষিদ্ধ বিষ প্রয়োগ, পাটা জাল ও লোহার শিক ব্যবহার করে একশ্রেণির অসাধু জেলে মাছ ও কাঁকড়া শিকার করছেন। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় প্রজনন মৌসুমে বন প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়নি, ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ হুমকির মুখে পড়েছে।

সরকার জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া শিকার নিষিদ্ধ করেছে। এই সময়ে পর্যটন ও জেলেদের পাশ-পারমিটও বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের একটি চক্র বন বিভাগের কিছু অসাধু সদস্যকে উৎকোচ দিয়ে অবাধে বন প্রবেশ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলে জানান, অমাবস্যা ও পূর্ণিমার গোনে নির্দিষ্ট হারে উৎকোচ দিয়ে তারা বনে মাছ শিকার করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, নিষিদ্ধ বিষ প্রয়োগের ফলে মাছের পোনা ও জলজ প্রাণীর জন্য ভয়াবহ হুমকি সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া কাঁকড়া ধরার জন্য নদীর চরে আটন বসাতে গিয়ে নির্বিচারে কাটা হচ্ছে সুন্দরী গাছের চারা। ফিশ ফার্ম অনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ফোয়াব) ও খুলনা কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান সাহীন বলেন, “প্রজনন মৌসুমে মাছ-কাঁকড়া নিধন বন্ধ না হলে অচিরেই এই প্রাকৃতিক সম্পদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, “প্রজনন মৌসুমে বন প্রবেশ ও মাছ ধরা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। কিছু জেলে যে লুকিয়ে বনে প্রবেশ করছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে আগের চেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুন্দরবনে মাছ শিকার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি

আপলোড সময় : ০২:১৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সুন্দরবনে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম চললেও অবাধে চলছে মৎস্য নিধন। নিষিদ্ধ বিষ প্রয়োগ, পাটা জাল ও লোহার শিক ব্যবহার করে একশ্রেণির অসাধু জেলে মাছ ও কাঁকড়া শিকার করছেন। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় প্রজনন মৌসুমে বন প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়নি, ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ হুমকির মুখে পড়েছে।

সরকার জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া শিকার নিষিদ্ধ করেছে। এই সময়ে পর্যটন ও জেলেদের পাশ-পারমিটও বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের একটি চক্র বন বিভাগের কিছু অসাধু সদস্যকে উৎকোচ দিয়ে অবাধে বন প্রবেশ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলে জানান, অমাবস্যা ও পূর্ণিমার গোনে নির্দিষ্ট হারে উৎকোচ দিয়ে তারা বনে মাছ শিকার করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, নিষিদ্ধ বিষ প্রয়োগের ফলে মাছের পোনা ও জলজ প্রাণীর জন্য ভয়াবহ হুমকি সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া কাঁকড়া ধরার জন্য নদীর চরে আটন বসাতে গিয়ে নির্বিচারে কাটা হচ্ছে সুন্দরী গাছের চারা। ফিশ ফার্ম অনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ফোয়াব) ও খুলনা কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান সাহীন বলেন, “প্রজনন মৌসুমে মাছ-কাঁকড়া নিধন বন্ধ না হলে অচিরেই এই প্রাকৃতিক সম্পদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, “প্রজনন মৌসুমে বন প্রবেশ ও মাছ ধরা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। কিছু জেলে যে লুকিয়ে বনে প্রবেশ করছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে আগের চেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন