ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত: প্রধানমন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ০৪:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০৫ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যেখানে তরুণদের চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না, তারা নিজেরাই নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে অস্বীকার করা হবে না, তবে এটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংকট মোকাবিলার জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নীতির প্রয়োজন রয়েছে। তিনি রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন।

নয় লাখ আটত্রিশ হাজার কোটি টাকার বাজেটটি দেশের অর্থনীতিকে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর রূপকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ব্যয় পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি করে তিন লাখ ষোল হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নে তিনটি ধাপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে রাজস্ব সংস্কার ও ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন করা হবে। চূড়ান্ত ধাপে উৎপাদনশীল ও উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করা হবে।

তিনি বলেন, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হয় যখন সাধারণ মানুষের ঘরে স্বস্তি আসে এবং তরুণরা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পায়। সরকার দেশীয় শিল্পের বিকাশ এবং নতুন শিল্পাঞ্চল ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি রপ্তানিমুখী ও উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত: প্রধানমন্ত্রী

আপলোড সময় : ০৪:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যেখানে তরুণদের চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না, তারা নিজেরাই নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে অস্বীকার করা হবে না, তবে এটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংকট মোকাবিলার জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নীতির প্রয়োজন রয়েছে। তিনি রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন।

নয় লাখ আটত্রিশ হাজার কোটি টাকার বাজেটটি দেশের অর্থনীতিকে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর রূপকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ব্যয় পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি করে তিন লাখ ষোল হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নে তিনটি ধাপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে রাজস্ব সংস্কার ও ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন করা হবে। চূড়ান্ত ধাপে উৎপাদনশীল ও উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করা হবে।

তিনি বলেন, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হয় যখন সাধারণ মানুষের ঘরে স্বস্তি আসে এবং তরুণরা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পায়। সরকার দেশীয় শিল্পের বিকাশ এবং নতুন শিল্পাঞ্চল ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি রপ্তানিমুখী ও উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন