ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়েমেনে আবারও যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে সৌদি আরব

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৩:০৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে সৌদি আরব। একাধিক মার্কিন ও আঞ্চলিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, হুথিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান চালাতে রিয়াদকে বিস্তৃত স্বাধীনতা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি সৌদি নেতৃত্ব।

মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান সম্প্রতি এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নিতে ওয়াশিংটন রিয়াদের ওপর আগের মতো বিধিনিষেধ আরোপ করছে না। তবে কীভাবে হুথিদের মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে সৌদি রাজপরিবারের ভেতরে মতপার্থক্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন ও এক পশ্চিমা কর্মকর্তা।

চার বছর ধরে কার্যত চলা সৌদি-হুথি যুদ্ধবিরতি সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলায় নতুন করে চাপে পড়েছে। চলতি মাসের শুরুতে ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে হুথি কর্মকর্তাদের বহনকারী একটি বিমান সানার বিমানবন্দরে অবতরণের পর উত্তেজনা বেড়ে যায়।

হুথিদের অভিযোগ, বিমানটি ফিরে যাওয়া ঠেকাতে সৌদি আরব সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে। যদিও জাতিসংঘ-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক মেয়াদ শেষ হয়েছে, এতদিন উভয় পক্ষ অনানুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা মেনে চলছিল।

এদিকে, হুথি নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, রিয়াদ আবার ইয়েমেনে হামলায় জড়ালে সৌদি আরবের সব তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের লক্ষ্যবস্তু হবে। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে তা ইয়েমেনের মানবিক সংকট বাড়াতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইয়েমেনে আবারও যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে সৌদি আরব

আপলোড সময় : ০৩:০৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে সৌদি আরব। একাধিক মার্কিন ও আঞ্চলিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, হুথিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান চালাতে রিয়াদকে বিস্তৃত স্বাধীনতা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি সৌদি নেতৃত্ব।

মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান সম্প্রতি এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নিতে ওয়াশিংটন রিয়াদের ওপর আগের মতো বিধিনিষেধ আরোপ করছে না। তবে কীভাবে হুথিদের মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে সৌদি রাজপরিবারের ভেতরে মতপার্থক্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন ও এক পশ্চিমা কর্মকর্তা।

চার বছর ধরে কার্যত চলা সৌদি-হুথি যুদ্ধবিরতি সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলায় নতুন করে চাপে পড়েছে। চলতি মাসের শুরুতে ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে হুথি কর্মকর্তাদের বহনকারী একটি বিমান সানার বিমানবন্দরে অবতরণের পর উত্তেজনা বেড়ে যায়।

হুথিদের অভিযোগ, বিমানটি ফিরে যাওয়া ঠেকাতে সৌদি আরব সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে। যদিও জাতিসংঘ-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক মেয়াদ শেষ হয়েছে, এতদিন উভয় পক্ষ অনানুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা মেনে চলছিল।

এদিকে, হুথি নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, রিয়াদ আবার ইয়েমেনে হামলায় জড়ালে সৌদি আরবের সব তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের লক্ষ্যবস্তু হবে। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে তা ইয়েমেনের মানবিক সংকট বাড়াতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন