ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লার রেস্তোরাঁয় রেখে যাওয়া শিশুকে ফিরিয়ে পেল পাকিস্তানি পরিবার

  • আপলোড সময় : ০৬:৫২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ২০৩ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে আসা একটি পরিবার অসাবধানতাবশত দুই বছর বয়সী এক শিশুকে কুমিল্লার একটি রেস্তোরাঁয় রেখে চলে যায়। শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে।

রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানায়, পাকিস্তানের করাচি থেকে ১১ সদস্যের একটি পরিবার গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আসে। শনিবার ভোরে তারা কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং নাশতার জন্য জাইতুন রেস্তোরাঁয় যাত্রাবিরতি করে। নাশতা শেষে তাড়াহুড়োয় পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে রেস্তোরাঁয় রেখেই চলে যান।

শিশুটি কিছুক্ষণ কান্নাকাটি করলেও রেস্তোরাঁর কর্মীরা তাকে সান্ত্বনা দেন। তারা শিশুটিকে মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখিয়ে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে স্বাভাবিক রাখেন। একই সঙ্গে রেস্তোরাঁর ফেসবুক পেজে ঘটনাটি জানিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়।

জাইতুন রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী এ কে এম লুৎফুর রহমান বলেন, শিশুটির বাবা এবং মা আলাদা গাড়িতে ছিলেন। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল অতিক্রম করার পর শিশুটির অনুপস্থিতি টের পান তারা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট দেখে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

বেলা আড়াইটার দিকে পরিবারটি রেস্তোরাঁয় ফিরে এসে শিশুটিকে নিয়ে যায়। লুৎফুর রহমান বলেন, ‘শিশুটি প্রথমে বাবা-মাকে না পেয়ে কাঁদছিল। পরে আমাদের কর্মীরা তাকে বিভিন্নভাবে ব্যস্ত রাখেন। নিরাপদে শিশুটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা স্বস্তি পেয়েছি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লার রেস্তোরাঁয় রেখে যাওয়া শিশুকে ফিরিয়ে পেল পাকিস্তানি পরিবার

আপলোড সময় : ০৬:৫২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে আসা একটি পরিবার অসাবধানতাবশত দুই বছর বয়সী এক শিশুকে কুমিল্লার একটি রেস্তোরাঁয় রেখে চলে যায়। শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে।

রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানায়, পাকিস্তানের করাচি থেকে ১১ সদস্যের একটি পরিবার গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আসে। শনিবার ভোরে তারা কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং নাশতার জন্য জাইতুন রেস্তোরাঁয় যাত্রাবিরতি করে। নাশতা শেষে তাড়াহুড়োয় পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে রেস্তোরাঁয় রেখেই চলে যান।

শিশুটি কিছুক্ষণ কান্নাকাটি করলেও রেস্তোরাঁর কর্মীরা তাকে সান্ত্বনা দেন। তারা শিশুটিকে মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখিয়ে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে স্বাভাবিক রাখেন। একই সঙ্গে রেস্তোরাঁর ফেসবুক পেজে ঘটনাটি জানিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়।

জাইতুন রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী এ কে এম লুৎফুর রহমান বলেন, শিশুটির বাবা এবং মা আলাদা গাড়িতে ছিলেন। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল অতিক্রম করার পর শিশুটির অনুপস্থিতি টের পান তারা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট দেখে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

বেলা আড়াইটার দিকে পরিবারটি রেস্তোরাঁয় ফিরে এসে শিশুটিকে নিয়ে যায়। লুৎফুর রহমান বলেন, ‘শিশুটি প্রথমে বাবা-মাকে না পেয়ে কাঁদছিল। পরে আমাদের কর্মীরা তাকে বিভিন্নভাবে ব্যস্ত রাখেন। নিরাপদে শিশুটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা স্বস্তি পেয়েছি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন