ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউনূসের কর পরিশোধ মামলার রায়: নতুন তদন্তের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০২:০৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ গত বৃহস্পতিবার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি আয়করের বৈধতা প্রশ্নে পৃথক দুটি রিট খারিজ করে রায় দিয়েছে। এই রায়ের ফলে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত গ্রামীণ কল্যাণকে নির্ধারিত কর পরিশোধে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় প্রদান করে। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর পরিশোধ করতে হবে।

এই রায়ের মাধ্যমে আইন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ড. ইউনূসের শাসনামলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরকারি সুবিধা পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই রায়ের পর আইনগতভাবে এসব সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করার দাবি উঠেছে। বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করেছে এবং ইউনূসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।

দেশবাসী আশা করছে, এই রায়ের মাধ্যমে ইউনূস সরকারের সব অপকর্মের তদন্ত হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউনূসের কর পরিশোধ মামলার রায়: নতুন তদন্তের সম্ভাবনা

আপলোড সময় : ০২:০৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ গত বৃহস্পতিবার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি আয়করের বৈধতা প্রশ্নে পৃথক দুটি রিট খারিজ করে রায় দিয়েছে। এই রায়ের ফলে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত গ্রামীণ কল্যাণকে নির্ধারিত কর পরিশোধে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় প্রদান করে। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর পরিশোধ করতে হবে।

এই রায়ের মাধ্যমে আইন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ড. ইউনূসের শাসনামলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরকারি সুবিধা পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই রায়ের পর আইনগতভাবে এসব সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করার দাবি উঠেছে। বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করেছে এবং ইউনূসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।

দেশবাসী আশা করছে, এই রায়ের মাধ্যমে ইউনূস সরকারের সব অপকর্মের তদন্ত হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন