ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের জেরে নিরঞ্জন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার শামীম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৩:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২১৩ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহে গোপনে ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে অটোরিকশা মালিক ও স্বর্ণকার নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০) হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শামীম মিয়া (৩৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। জানা গেছে, খাগডহর এলাকায় নিরঞ্জনের চারটি অটোরিকশা ছিল এবং শামীম তার গ্যারেজে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। এ সূত্রে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

তদন্তে জানা যায়, একদিন শামীমের মা-বাবা বাসায় না থাকার সুযোগে তিনি এক নারীকে নিয়ে ঘরে ছিলেন। এ সময় নিরঞ্জন গোপনে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে শামীমের কাছে টাকা দাবি করতে থাকেন।

পিবিআই জানায়, ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে শামীমের ভাড়া বাসায় গিয়ে টাকা দাবি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শামীম নিরঞ্জনের মাথায় ভারী শিল দিয়ে আঘাত করেন এবং পরে বটি দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।

হত্যার পর শামীম নিরঞ্জনের মরদেহ চটের বস্তায় মুড়িয়ে একটি ড্রামের মধ্যে রাখেন এবং ২২ সেপ্টেম্বর রাতে ড্রামটি একটি নির্জন খালে ফেলে দেন। পরে স্থানীয়রা ড্রামটি পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

পিবিআই প্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শামীমকে গ্রেপ্তার করে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মসলা বাটার শিল ও বটি উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে শামীমকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ময়মনসিংহে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের জেরে নিরঞ্জন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার শামীম

আপলোড সময় : ০৩:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ময়মনসিংহে গোপনে ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে অটোরিকশা মালিক ও স্বর্ণকার নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০) হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শামীম মিয়া (৩৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। জানা গেছে, খাগডহর এলাকায় নিরঞ্জনের চারটি অটোরিকশা ছিল এবং শামীম তার গ্যারেজে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। এ সূত্রে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

তদন্তে জানা যায়, একদিন শামীমের মা-বাবা বাসায় না থাকার সুযোগে তিনি এক নারীকে নিয়ে ঘরে ছিলেন। এ সময় নিরঞ্জন গোপনে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে শামীমের কাছে টাকা দাবি করতে থাকেন।

পিবিআই জানায়, ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে শামীমের ভাড়া বাসায় গিয়ে টাকা দাবি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শামীম নিরঞ্জনের মাথায় ভারী শিল দিয়ে আঘাত করেন এবং পরে বটি দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।

হত্যার পর শামীম নিরঞ্জনের মরদেহ চটের বস্তায় মুড়িয়ে একটি ড্রামের মধ্যে রাখেন এবং ২২ সেপ্টেম্বর রাতে ড্রামটি একটি নির্জন খালে ফেলে দেন। পরে স্থানীয়রা ড্রামটি পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

পিবিআই প্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শামীমকে গ্রেপ্তার করে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মসলা বাটার শিল ও বটি উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে শামীমকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন