ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড

  • আপলোড সময় : ০৮:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে জমির জাল খতিয়ান তৈরির অভিযোগে কম্পিউটার ব্যবসায়ী আবু সাইদ হোসেন লাভলুকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড মো. মাহমুদুল হাসান এই সাজা প্রদান করেন।

আবু সাইদ (২৮) শরিফেরহাট খন্দকারপাড়া এলাকার মৃত হযরত আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ান তৈরি করে আসছিলেন। সম্প্রতি এক কৃষক জমির খতিয়ান নিয়ে আসলে সেটি জাল বলে সন্দেহ হওয়ায় এসিল্যান্ড তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কৃষক আবু সাইদের নাম উল্লেখ করে তথ্য দেন।

এরপর, মাহমুদুল হাসান ও তার টিম আবু সাইদের দোকানে অভিযান চালান। অভিযানের সময় তাকে হাতেনাতে ধরা হয় এবং তিনি অপরাধ স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৫(১)(খ) ধারায় তাকে সাজা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মাহমুদুল হাসান জানান, আবু সাইদ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে খতিয়ান তৈরি করে আসছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করছিলেন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামে কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ০৮:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে জমির জাল খতিয়ান তৈরির অভিযোগে কম্পিউটার ব্যবসায়ী আবু সাইদ হোসেন লাভলুকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড মো. মাহমুদুল হাসান এই সাজা প্রদান করেন।

আবু সাইদ (২৮) শরিফেরহাট খন্দকারপাড়া এলাকার মৃত হযরত আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ান তৈরি করে আসছিলেন। সম্প্রতি এক কৃষক জমির খতিয়ান নিয়ে আসলে সেটি জাল বলে সন্দেহ হওয়ায় এসিল্যান্ড তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কৃষক আবু সাইদের নাম উল্লেখ করে তথ্য দেন।

এরপর, মাহমুদুল হাসান ও তার টিম আবু সাইদের দোকানে অভিযান চালান। অভিযানের সময় তাকে হাতেনাতে ধরা হয় এবং তিনি অপরাধ স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৫(১)(খ) ধারায় তাকে সাজা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মাহমুদুল হাসান জানান, আবু সাইদ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে খতিয়ান তৈরি করে আসছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করছিলেন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন