ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০৪ বছরের বৃদ্ধ নুর মোহাম্মদকে ১০ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠাল আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৮:১১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০২ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জে দুই যুগ আগে সংঘটিত ডাকাতি ও জোড়া হত্যার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১০৪ বছর বয়সী নুর মোহাম্মদকে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। তিনি ঢাকার চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন, যা আদালত নাকচ করে দেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের আদালতে নুর মোহাম্মদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী ফয়সাল আহমেদ। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। নুর মোহাম্মদ তার বয়স ও অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিজ খরচে পরিবহনের মাধ্যমে কারাগারে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন, কিন্তু আদালত সেই আবেদনও গ্রহণ করেনি।

আইনজীবী জানান, নুর মোহাম্মদ নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করেন এবং তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের বড় বাজার এলাকায় ডাকাতির সময় মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবির নামে দুজনকে হত্যা করা হয়। ডাকাতেরা দোকানের সিন্দুক থেকে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়।

মামলার তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর রায় ঘোষণার সময় নুর মোহাম্মদসহ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তবে পরবর্তীতে তার সাজা কমে ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়।

নুর মোহাম্মদ দীর্ঘ সময় পলাতক ছিলেন এবং মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তার জামিনের আবেদন আদালত নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০৪ বছরের বৃদ্ধ নুর মোহাম্মদকে ১০ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠাল আদালত

আপলোড সময় : ০৮:১১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জে দুই যুগ আগে সংঘটিত ডাকাতি ও জোড়া হত্যার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১০৪ বছর বয়সী নুর মোহাম্মদকে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। তিনি ঢাকার চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন, যা আদালত নাকচ করে দেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের আদালতে নুর মোহাম্মদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী ফয়সাল আহমেদ। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। নুর মোহাম্মদ তার বয়স ও অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিজ খরচে পরিবহনের মাধ্যমে কারাগারে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন, কিন্তু আদালত সেই আবেদনও গ্রহণ করেনি।

আইনজীবী জানান, নুর মোহাম্মদ নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করেন এবং তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের বড় বাজার এলাকায় ডাকাতির সময় মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবির নামে দুজনকে হত্যা করা হয়। ডাকাতেরা দোকানের সিন্দুক থেকে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়।

মামলার তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর রায় ঘোষণার সময় নুর মোহাম্মদসহ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তবে পরবর্তীতে তার সাজা কমে ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়।

নুর মোহাম্মদ দীর্ঘ সময় পলাতক ছিলেন এবং মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তার জামিনের আবেদন আদালত নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন